1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ১২:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আমরা চাইবো দেশে একটি দায়িত্বশীল বিরোধীদল থাকুক: হাসান ইকবাল ঠাকুরগাঁওয়ে মাটি খুঁড়তে গিয়ে ২৪ টি রাইফেল,৩ টি এলএমজি উদ্ধার ঠাকুরগাঁও বালিয়া ইউনিয়নে উন্মুক্ত বাজেট ও মতবিনিময় সভা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার  স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে হাসান ইকবালের বার্তা ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকসহ ২ ব্যবসায়ি গ্রেফতার বেনাপোল স্হলবন্দরে অনিদিষ্ট কালের জন্য পণ্য পরিবহন বন্ধ বাংলাদেশ দ্রুত শ্রীলংকায় পরিনত হতে যাচ্ছে মির্জা ফখরুল ইসলাম ঠাকুরগাঁওয়ে “নিউরন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের” উদ্বোধন দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু করছে, তখন একটি মহল হতাশ: হাসান ইকবাল ঠাকুরগাঁওয়ে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে উৎপাদনশীলতার গুরুত্ব বিষয়ক সেমিনার

যশোরে তরমুজের দোকানে ক্রেতা শুন্য, হতাশায় ব্যবসায়ীরা

সংবাদ দাতার নাম
  • সময় : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২০
  • ৪৫৭ জন পড়েছেন

সোহেল রানা,যশোর প্রতিনিধিঃ ঋতুরাজ বসন্তের হাত ধরে বাজারে এসেছিলো গ্রীষ্মের রসালো ফল তরমুজ। বাজারে দাম অনেকটা হাতের নাগালে থাকলেও ক্রেতা শুন্য যশোরের শার্শার তরমুজের দোকান গুলো।একেবারই হাত শুটিয়ে বসে আছেন তারা। কেউ কেউ পেপার পত্রিকা পড়ে অলস সময় পার করছেন।
আড়ত থেকে কিনে আনা যে তরমুজ শোভা পেয়েছে দোকানে দোকানে।চেনা চিত্রের সাথে গভীর মিল থাকলেও করোনা ভাইরাসের কারণে বাকিটা লুকিয়ে আছে ভিন্ন গল্পে ।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার ‍দফায় দফায় সাধারণ ছুটি বাড়িয়েছে।আর জনগণকে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের না হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।তাতে ক্রেতার উপস্থিতি কম থাকায় বাজারে হাঁকডাক নেই বিক্রেতাদের। আর এতে ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দুই ধরনের (সবুজ ও কালো) তরমুজ বাজারে এসেছে।যার অধিকাংশই দেশের উত্তরাঞ্চল থেকে আসা।ক্রেতা কম থাকায় দামও অনেকটা সহনীয়। আর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় তরমুজের ফলনও ভালো হয়েছে।

ব্যসায়ীরা দোকানে দোকানে সারি সারি তরমুজ সাজিয়ে রেখেছেন। আর ক্রেতার অপেক্ষায় গ্রহর গুনছেন।কিন্তু টানা ছুটি ও ঘরের বাইরে লোকজন বের না হওয়ার নিষেধাজ্ঞার কারণে মৌসুমী ফল বিক্রেতারাও হাত গুটিয়ে নিয়েছেন।

তবে ব্যাপারীদের আশা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই জমে উঠবে বাজার।এক্ষেত্রে তাদের আশঙ্কা সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হতে পারে অনেক তরমুজ।এতে ক্ষতির মুখে পড়বেন ব্যবসায়ীরা।প্রতিদিনই প্রতিটি দোকানী কমপক্ষে দেড় থেকে দুই হাজার টাকা বা তারও বেশি টাকা তরমুজ পঁচে যাওয়ার কারনে লোকসান গুনছেন।

তরমুজ ব্যবসায়ীরা জানান,যা তরমুজ এনেছি তার অর্ধেকেরও কম বিক্রি হয়েছে।দাম ২০ থেকে ২৫ টাকা কিন্তু লোকজন কম থাকায় বেচা-বিক্রি কম হচ্ছে। করোনার কারণে এ বছর ব্যবসায় কী হয় বলা যাচ্ছে না। এমনিতেই বেচা বিক্রি নেই তার উপরে মাল পঁচে গিয়ে চরম লোকসানে পড়তে হবে একেবারে চোখে মুখে গভীর অন্ধকার দেখছি।পরিবার পরিজন নিয়ে কঠিন বিপদে পড়েছি।

করোনা ভাইরাসের কারণে লোকজন তেমন বের হয় না। আর বিক্রিও তেমন হচ্ছে না। আবার বেশিদিন রাখাও যাবে না পঁচে যাবে। তাই ভয়ে অনেকেই এবার তরমুজের ব্যবসা করছেন না বলে জানান ব্যবসায়ীরা।এমতাবস্থায় কে কি করবেন কিভাবে চলবেন এমন নাবাবিধ দুঃচিন্তায় কাটছে তরমুজসহ মৌসুমি ফল ব্যবসায়ীরা।

সংবাদটি আপনার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরোও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশেষ সংখ্যা