1. admin@protidinershomoy.com : admin :
  2. nasimriyad24@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  3. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ০২:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম

বারহাট্টা থানা পুলিশের তৎফরতায় শিশু মনি আক্তারের হত্যাকারীকে দ্রুত গ্রেফতার

সংবাদ দাতার নাম
  • সময় : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২০
  • ১৮৯ জন পড়েছেন

মামুন কৌশিক নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি :

নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলার লামাপাড়ার ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মণি আক্রারের হত্যাকারীকে গ্রেফতার করেছে বারহাট্টা থানা পুলিশ।ধর্ষণের পর গলাটিপে হত্যা করে জঙ্গলের পাশের গর্তে ফেলা রাখা হয় শিশুটির লাশ।

গত পহেলা মে শুক্রবার দুপুরে বারহাট্টা থানা পুলিশ মেয়েটির লাশ উদ্ধার করে।এ ঘটনায় বারহাট্টা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের আব্দুর রশীদের ছেলে সুলতানকে (২৫) গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারের পর আসামী সুলতান স্বীকার উক্তিমূলক জবানবন্দীতে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

নিহত মণি বারহাট্টা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের লামাপাড়া গ্রামের আব্দুল মন্নাফের মেয়ে।সে একই গ্রামের পাইক পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ম শ্রেণীতে পড়ত।ঘটনার পরদিন মণির বাবা অঙ্গতকয়েকজনের নামে বারহাট্টা থানায় মামলা করে।পুলিশ সূত্রে জানা যায় যে, নিহত মণি আক্তার ও তার কয়েকজন সহপাঠী মিলে প্রতিদিনের মত পাশের নয়াপাড়া গ্রামের তালেব আলীর কাছে পাইভেট পড়তে যায়।

গত ৩০ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০ টায় প্রাইভেট পড়ার উদ্দ্যেশ্যে বাড়ি থেকে সে বের হয়। ১১ টায় প্রাইভেট শিক্ষক তালেব আলীর বাড়িতে পৌঁছে সাড়ে ১২ টার দিকে পড়া শেষে চলে আসে।পরে সে তার বাড়িতে ফিরে আসেনি।নিহত মণি আক্তারের বাড়ি থেকে গৃহ শিক্ষকের বাড়ি প্রায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটারের হাঁটার পথ।মণি আক্তার বাড়িতে না পৌঁছানোয় পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজির পরও না পেয়ে রাতে ফকিরের বাজারের পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেয়।নিখোঁজ হয়েছে এই মর্মে এলাকায় মাইকিং করা হয়।

পরদিন শুক্রবার সকাল ১১ টায় একই এলাকার মান্দারতলায় একটি বাড়ির পিছনের জঙ্গলের গর্তে তার হাত পা বাধা লাশ দেখতে পায়।পুলিশ সেখান থেকেই শিশুটির লাশ উদ্ধার করে। নেত্রকোণা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সি ও বারহাট্টা থানার অফিসার ইন চার্জ মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।বারহাট্টা থানার অফিসার ইন চার্জ মিজানুর রহমান বলেন যে, আমরা মামলার আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করার লক্ষ্যে ঘটনাটির তদন্ত দ্রুত গতিতে শুরু করি।অনেক জনকে জিঙ্গাসাবাদ করার পর আমরা সুলতানকে গ্রেফতার করি।গ্রেফতারের পর জিঙ্গাসাবাদে সে জানায় যে, গত ত্রিশ তারিখ সকালে মণি আক্তার যখন প্রাইভেট পড়তে যায় তখন সে উৎ পেতে থাকে।মণি প্রাইভেট থেকে ফেরার পর সে তার ঘরে মণিকে ডেকে নিয়ে যায়।সেখানে ধর্ষণ করার সময় মণি চিৎকার করলে তার গলা টিপে ধরে তখন শিশুটি মারা যায়।পরে তাকে কাপড় দিয়ে ডেকে রাখে সে।ওই দিন সন্ধ্যায় শিশুটিকে পাশের জঙ্গলে পেলে রেখে সুলতান তার শ্বশুর বাড়ি দশধার চলে যায়।পরে পুলিশ সুলতানকে দশধার তার শ্বশুর বাড়ির পাশ থেকে গ্রেফতার করে।

সংবাদটি আপনার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরোও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশেষ সংখ্যা

%d bloggers like this: