1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
মঙ্গলবার, ০৫ জুলাই ২০২২, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিক্ষক হত্যার প্রতিবাদে নাগরপুরে মানববন্ধন ভারতের পুলিশ কমিশনারের আমন্ত্রণে মাদক বিরোধী সেমিনার ও রেলিতে বাংলাদেশের রসায়নবিদ ডক্টর মোঃ জাফর ইকবাল জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শক্ত হাতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন: হাসান ইকবাল নাগরপুরে ৫০ গ্রাম হেরোইনসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বন্ধ হচ্ছে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মধ্যে টোল আদায় ভারতে জেল খেটে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরেছে ২৫ জন তরুন তরুনী সিলেটে বর্ন্যার্তদের মাঝে ইঞ্জিনিয়ার মোঃ জসীম উদ্দিন প্রধানের উদ্যোগে উপহার সামগ্রী বিতরণ  ঠাকুরগাঁওয়ে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ২৮তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত ফুলবাড়ীতে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধকল্পে কর্মশালা অনুষ্ঠিত পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে নাগরপুরে নানা কর্মসূচি

কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের ১১ সদস্যের সবাই সুস্থ, পুলিশ সুপার

সংবাদ দাতার নাম
  • সময় : সোমবার, ১১ মে, ২০২০
  • ১০১ জন পড়েছেন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

করোনাভাইরাসকে জয় করে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের আরো এক সদস্য সুস্থ হয়েছেন। এবার করোনাভাইরাস জয়ী পুলিশ সদস্যের নাম এএসআই মো. ফারুক মিয়া। তিনি ভৈরব থানায় কর্মরত রয়েছেন।

কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের আক্রান্ত ১১ সদস্যের মধ্যে এর আগে ১০ জন সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে গেছেন। নতুন করে আরো একজন সুস্থ হওয়ায় এখন কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের ১১ জন সদস্যই করোনাভাইরাস মুক্ত হয়ে সুস্থ হলেন।

সর্বশেষ করোনাজয়ী এএসআই মো. ফারুক মিয়া সোমবার (১১ই মে) দুপুরে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশনায় ছাড়পত্র পেয়েছেন।

ছাড়পত্রে এএসআই মো. ফারুক মিয়াকে নিজ বাড়িতে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাশরুকুর রহমান খালেদ (পিপিএম) (বিপিএম) বার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, করোনা প্রতিরোধমূলক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ভৈরব থানায় কর্মরত এএসআই মো. ফারুক মিয়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন।

এএসআই মো. ফারুক মিয়া হালকা কাশি অনুভব করলে গত ২২শে এপ্রিল ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে নমুনা সংগ্রহ করে কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জনের মাধ্যমে আইপিএইচ-এ প্রেরণ করা হয়। ওইদিনই তাকে উন্নত চিকিৎসার (আইসোলেশন) জন্য ভৈরব ট্রমা সেন্টারের অধীন আইসোলেশনে রাখা হয়।

গত ২৪শে এপ্রিল তার কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস পজেটিভ রিপোর্ট পাওয়া যায়। সেখানে আইসোলেশনে থাকা অবস্থায় গত ২৭শে এপ্রিল দ্বিতীয় টেস্টেও তার কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস পজেটিভ রিপোর্ট আসে।

ফলে ওইদিনই (২৭শে এপ্রিল) তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত অ্যাম্বুলেন্সযোগে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তৃতীয় ও চতুর্থবার পর পর দুটি নমুনা পরীক্ষায় কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় সোমবার (১১ই মে) ‍দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশনা দিয়ে হাসপাতাল থেকে তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের ভৈরব থানায় কর্মরত দুইজন এসআই, একজন এএসআই ও ৮জন কনস্টেবলসহ মোট ১১ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাদের প্রত্যেকেই সুস্থ হয়ে নিজ নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। বর্তমানে কিশোরগঞ্জ জেলার আর কোন পুলিশ সদস্য করোনা ভাইরাস আক্রান্ত নেই।

সংবাদটি আপনার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরোও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশেষ সংখ্যা