1. admin@protidinershomoy.com : admin :
  2. nasimriyad24@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  3. wp-configuser@config.com : James Rollner : James Rollner
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে দ্বিতীয় দিনে কোটা আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা ঠাকুরগাঁওয়ে স্কুল সেনসিটাইজেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের বিক্ষোভ ও পথসভা ঠাকুরগাঁওয়ে আওয়ামী লীগের বৃক্ষ রোপণ ও বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন ঠাকুরগাঁওয়ে ৫শ বৃক্ষরোপন করছেন স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা এ্যাপোলো টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের এমপি খান আহমেদ শুভর জন্মদিনে জয় হোসেনের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ, খাদ্য বিতরণ, কোরআন তেলাওয়াত, দোয়া ও মিলাদ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতিবাজ সচিব মুকেশ চন্দ্র বিশ্বাস ! নিখোঁজ সোলায়মান আলীর সন্ধান চায় তার পরিবার চৌধুরী মুখলেসুর রহমানের মায়ের মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের শোক নিখোঁজ আব্দুল আওয়ালের সন্ধান চায় তার পরিবার !

ঠাকুরগাঁওয়ের একজন জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম প্রসঙ্গ

সংবাদ দাতার নাম
  • সময় : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২০
  • ৭৫০ জন পড়েছেন

সুজন ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি: হ্যাঁ ছবিতে যাকে দেখছেন তিনিই হচ্ছেন ঠাকুরগাঁওয়ের বর্তমান জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম।

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে যখন মানুষের স্বাভাবিক চলাফেরাসহ জীবন যাপনে বিরুপ প্রতিক্রিয়া ফেলেছে। তখন বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের সুরক্ষার, খাদ্য, বাসস্থান, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন কাজে দিন রাত পরিশ্রম করে চলেছেন তিনি।
ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন ঠাকুরগাঁওয়ের ল্যাকটেটিং মাদারদের তাদের শিশুদের পুষ্টিহীনতা দুর করার জন্য শিশুদের হাতে পুষ্টিকর খাদ্য তুলে দিচ্ছেন তিনি। শুধু ল্যাকটেটিং মাদার তাদের শিশুদের জন্য পুষ্টিকর খাদ্য তুলে দেন না তিনি। করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া, অসহায় দরিদ্র, নিম্নবিত্ত, হতদরিদ্রদের মাঝেও প্রধানমন্ত্রীর উপহার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন তিনি। শুধুই কি তাই? মধ্যবিত্ত যারা লোকচক্ষু ও লজ্জার জন্য কারও কাছে কোন কিছু চাইতে পারেন না বা চাইতে পারচ্ছেন না তাদের জন্য জেলা প্রশাসনের নিজ উদ্যোগে চালু করেছেন হটলাইনের মাধ্যমে খাদ্য সহায়তা প্রদানের জন্য ‘সময়ের দাবি, ত্রাণ যাবে বাড়ি’ এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিদিন পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডের প্রায় ২০০ পরিবারের মানুষের বাড়িতে পৌঁচ্ছে দিচ্ছেন খাদ্য সামগ্রী প্রশাসনের ৬টি টিম।

এমনকি জেলা প্রশাসক নিজের জীবনের তোয়াক্কা না করে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের বাড়িতে গিয়ে নিজেই পুষ্টিকর খাদ্য পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। যাতে তাদের মনোবল অটুট থাকে ও তাদের প্রতিবেশীদের পরামর্শও প্রদান করেছেন যে, তারা যেন আক্রান্ত রোগীদের ও তাদের পরিবারের কারও সাথে বিরুপ বা খারাপ আচরণ না করে এবং আতংকিত না হয়ে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।

এছাড়াও তার নির্দেশনায় জেলা প্রশাসনের ১৪ টি মোবাইল টিম জেলায় জনসচেতনতামূলক প্রচারণা, সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করণ, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা, জনসমাগম এড়ানো, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দেশের বাইরে ও বিভিন্ন জেলা থেকে আগতদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ সহ বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।

এই মানুষটি নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ও তার পরিবারের কথা না ভেবে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের জন্য। শুধু তিনিই নন সাথে তার নির্দেশনায় জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনসহ জেলার বিভিন্ন প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ তাদের নিজের জীবনের কথা ও পরিবারের কথা না ভেবে একই ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তারা।

এইসব কাজসহ নানান কাজ করার জন্য প্রশাসনকে অনেক কিছুর সম্মুখীনও হতে হয়েছে। তার পরেও এমনিভাবে ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষকে ভালোবেসে, ঠাকুরগাঁওবাসীর মঙ্গলের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন তারা। যেমনটা ঠাকুরগাঁওয়ের সাবেক জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়াল ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলেন তেমনি বর্তমান জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম তিনিও ঠাকুরগাঁওবাসীর সুখে-দুঃখে, সময় ও অসময়ে পাশে আছেন।

অনেকেই মন্তব্য করতে পারেন যে, তার দায়িত্ব তিনি পালন করছেন। হ্যাঁ তার দায়িত্ব তিনি বা তারা পালন করছেন ঠিকি। কিন্তু বাংলাদেশের নাগরিক যারা আছি আমাদেরও তো দেশের মানুষের জন্য বা দেশের জন্য কিছু করার দায়িত্ব আছে। আমরা কি ঠিক মতো আমাদের সেই দায়িত্ব গুলো পালন করছি কি? আমরা কি আমাদের নিজের জীবনের, নিজের পরিবারের সুরক্ষার দায়িত্ব টুকুই কি ঠিক মতো পালন করতে পারছি? আমরা কি শুধু হাট বাজার, দোকান-পাট ও শপিংমল গুলোতে জমায়েত করা থেকে নিজেকে বিরত রাখতে পেরেছি?

শুধু বাংলাদেশ সরকার বা সরকার প্রধান, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী, মিডিয়াকর্মীসহ বিভিন্ন দলীয় নেতাকর্মীদের দোষারোপ করি বা দোষত্রæটি দিয়ে থাকি। কিন্তু নিজের দোষ ত্রæটি গুলোর দিকে কে কতোটা দৃষ্টি দিয়েছি আমরা বা তা সংশোধন করার চেষ্টা করছি?

আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ স্থান থেকে নিজেরা সচেতন না হলে সরকারের বা প্রশাসনের একার পক্ষে কখনোই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা বা ঠিক করা সম্ভব না।

সংবাদটি আপনার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরোও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশেষ সংখ্যা

You cannot copy content of this page

%d bloggers like this: