1. admin@protidinershomoy.com : admin :
  2. nasimriyad24@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  3. wp-configuser@config.com : James Rollner : James Rollner
রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ১২:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ভূল্লীতে গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা আইটি ট্রেনিং নিয়ে ঘরে বসেই ডলার ইনকাম করা সম্ভব, প্রতিমন্ত্রী পলক বীরমুক্তিযোদ্ধা শফিউর রহমান শফির মুক্তির দাবীতে রাজশাহীতে বিক্ষোভ নিউইয়র্কে সিলেট দক্ষিণ সুরমাবাসীর’র বার্ষিক বনভোজন ও মিলনমেলা টিউলিপ সিদ্দিক যুক্তরাজ্যের নগর বিষয়ক মন্ত্রী হওয়ায় রসায়নবিদ আলহাজ্ব ডক্টর মোঃ জাফর ইকবালের অভিনন্দন টিউলিপ সিদ্দিক যুক্তরাজ্যের নগর বিষয়ক মন্ত্রী হওয়ায় হাসান ইকবালের অভিনন্দন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে-এমপি সুজন ঠাকুরগাঁওয়ে শ্বশান ঘাটের বন্ধ রাস্তা খুলে দিলেন এমপি সুজন চারঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতিসহ তিন সদস্যকে অব্যাহতি ঠাকুরগাঁওয়ে ভারী বর্ষণে ভেঙে গেছে সড়ক, যাতায়াতে দু*র্ভোগ

আওয়ামী যুবলীগ মালয়েশিয়া পেনাং শাখার পক্ষ থেকে শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামানের জন্মদিনে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি

সংবাদ দাতার নাম
  • সময় : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২০
  • ২৭৬ জন পড়েছেন
প্রবাসী ডেস্কঃ
আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামরুজ্জামান(২৬ জুন, ১৯২৬ – নভেম্বর ৩, ১৯৭৫) বাংলাদেশের প্রথম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা। তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে গঠিত অস্থায়ী সরকারের স্বরাষ্ট্র,কৃষি এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ছিলেন।একজন নির্লোভ, সৎ ও দেশপ্রেমিক নেতা হিসেবে তার পরিচিতি ছিল।
বর্তমান নাটোর জেলার অন্তর্গত বাগাতিপাড়ার মালঞ্চী রেলস্টেশন সংলগ্ন নূরপুর গ্রামে মামার বাড়িতে ১৯২৬ সালের ২৬ জুন তারিখে এ এইচ এম কামরুজ্জামান জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক বাড়ি ছিল রাজশাহী জেলার কাদিরগঞ্জ মহল্লায়। তিনি বনেদি জমিদার পরিবারের সন্তান ছিলেন। তার পিতা আবদুল হামিদ ও মাতা বেগম জেবুন্নিসা। তার ১২ ভাই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন প্রথম। তাঁর ডাকনাম ছিল হেনা।
এ এইচ এম কামরুজ্জামানের জন্মদিনে এক শুভেচ্ছা বার্তায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ  মালয়েশিয়া প্রদেশ পেনাং শাখার পক্ষ থেকে সভাপতি মোহম্মদ রায়হান জামিল ভূইয়া বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “আজ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রক্তবন্ধু, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক,জাতীয় চার নেতার অন্যতম, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সফল সভাপতি, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক মন্ত্রী শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামান হেনা সাহেবের ৯৭ তম জন্মবার্ষিকী। আজকের এই দিনে শ্রদ্ধা চিত্তে স্মরণ করছি জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তান কে সেই সাথে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং মহান আল্লাহতালার কাছে প্রার্থনা এই মহান মানুষকে যেন জান্নাতুল ফেরদাউস দান করেন।”
লেখাপড়ার শুরু রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলে৷ রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের এক শিক্ষক ছিলেন তাঁর ফুপা৷ তিনি রাজশাহী থেকে চট্টগ্রামে বদলী হয়ে যাবার সময় কামরুজ্জামানকেও সাথে করে নিয়ে যান এবং চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি করে দেন৷ সেখান থেকেই ১৯৪২ সালে তিনি মাধ্যমিক পাশ করেন৷ এরপর রাজশাহী কলেজ থেকে ১৯৪৪ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন৷ তিনি এরপর উচ্চশিক্ষার জন্য কলকাতা যান এবং বিখ্যাত প্রেসিডেন্সী কলেজ থেকে ১৯৪৬ সালে অর্থনীতিতে অনার্স পাশ করেন। এরপর তিনি রাজশাহী আইন কলেজ হতে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করে ১৯৫৬ সাল থেকে রাজশাহী জর্জকোর্টে আইন ব্যবসা শুরু করেন।
১৯৭০ সালের নভেম্বরের ১৯৭০ এর নভেম্বরের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের পর ত্রাণকার্যে সরকারের অনীহা এবং ডিসেম্বরের নির্বাচনে জয়লাভের পরও আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করা ইত্যাদি কারণে বাঙালিদের মনে অসহিষ্ণুতা দেখা দেয়। বাঙালিরা তখন শেখ মুজিবের ডাকে অসহযোগ আন্দোলন শুরু করে। এরই প্রেক্ষিতে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তান সরকার নিরীহ-নিরস্ত্র বাঙালি নিধনের উদ্দশ্যে সেনাবাহিনী লেলিয়ে দেয়, যা ইতিহাসে অপারেশন সার্চলাইট নাম পরিচিত। এই কুখ্যাত গণহত্যার সময় পাকিস্তানী বাহিনী শেখ মুজিবকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানে নিয়ে যায়। কিন্তু তিনি এর পূর্বেই তার দলের নেতা কর্মীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলেছিলেন। তাই তিনি শেখ ফজলুল হক মনি, তোফায়েল আহমেদ ও আরও কয়েকজন নেতাকে নিয়ে বগুড়া হয়ে কলকাতা চলে যান৷ সেখানে তার সাথে তাজউদ্দিন আহমদ সহ অন্যান্য নেতাকর্মীর দেখা হয়। ওখানে তারা সকলে মিলে সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নেন। আর সবার সিদ্ধান্তে ১৯৭১ এর ১০ এপ্রিল গঠিত হয় প্রথম অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার, এবং ১৭ এপ্রিল কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুরের সীমান্তবর্তী এলাকা বৈদ্যনাথ তলায়(পরবর্তীতে মুজিবনগর ) শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিক ভাবে যাত্রা শুরু করে।
নবগঠিত মুজিবনগর সরকারে তাকে স্বরাষ্ট্র,কৃষি এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয় । কামরুজ্জামান ছিলেন কঠোর পরিশ্রমী ত্রাণ ও পুনর্বাসনের কাজে তিনি মুক্তাঞ্চল, শরণার্থী শিবির ও সীমান্ত এলাকায় গিয়ে দিনরাত পরিশ্রম করতেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কিছু বিপথগামী সেনা কর্মকর্তার হাতে শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হলে ঐ সময় কামরুজ্জামান সহ আরো তিন নেতাকে গ্রেফতার ও কারাবন্দী করা হয়। ঐ বছরেরই ৩ নভেম্বর ভোর সাড়ে চারটায় ঊক্ত কারাগারের অভ্যন্তরে তাকে সহ আরো তিন নেতাকে কিছু সেনা সদস্য নির্মমভাবে গুলি করে ও বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে। তার মৃতদেহের পোস্টমর্টেম রিপোর্টে বলা হয় তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম পাওয়া যায় এবং বিশেষ করে ডান দিকের পাঁজরে এবং ডান হাতের কনুইতে বড় রকমের ক্ষত চিহ্ন পাওয়া যায়।

সংবাদটি আপনার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরোও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশেষ সংখ্যা

%d bloggers like this: