1. admin@protidinershomoy.com : admin :
  2. protidinershomoy@gmail.com : Showdip : Meherabul Islam সৌদিপ
  3. mamunshohag7300@gmail.com : মামুন সোহাগ : মামুন সোহাগ
  4. nasimriyad24@gmail.com : বার্তা সম্পাদক : বার্তা সম্পাদক
বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২১, ০৭:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ভূল্লীতে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত সাইফুদ্দিন ইমনের শুভ জন্মদিন আজ রাজৈরে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ১৬৩টি ঘর পেল গৃহহীন পরিবার ফ্রান্সে কাউন্সিলর হলেন রাব্বানী খান রেজাউল করিম চৌধুরী (চসিক) মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাজিব দাশ কালিয়ায় ব্যাংক ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ঋণ জ্বালিয়াতির অভিযোগ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে নৌকা মার্কার পক্ষে রাজিব দাশের উদ্যোগে এক বিশাল পথ সভা, গণসংযোগ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ গ্রীস শাখার উদ্যোগে ছাত্রলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত চাঁদপুরের কচুয়ায় জাপান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি: জসীম উদ্দিনের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ ভাঙ্গায় নির্বাহী কর্মকর্তা রকিবুর রহমান খানের বদলী জনিত বিদায় সংবর্ধনা

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাজুল ইসলাম

সংবাদ দাতার নাম
  • সময় : শনিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২১
  • ১০১ Time View
নিজস্ব প্রতিবেদক: ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে এক শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি তাজুল ইসলাম।
সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি তাজুল ইসলাম তার বার্তায় বলেন, ‘বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি এক ঐতিহাসিক দিন। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে এদিন স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস পাকিস্তানের নিভৃত কারাগারে বঙ্গবন্ধু অসহনীয় নির্যাতনের শিকার হন। প্রহসনের বিচারে ফাঁসির আসামি হিসেবে তিনি মৃত্যুর প্রহর গুনতে থাকেন। মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েও তিনি বাঙালির জয়গান গেয়েছেন।
১৯৭২ এর ১০ জানুয়ারি বাংলার মাটিতে প্রত্যাবর্তন করে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। পাকিস্তানি সামরিক জান্তার নির্মম নির্যাতনের বর্ণনা দেন। বাঙালি জাতি ফিরে পায় জাতির পিতাকে। বাঙালির বিজয় পূর্ণতা লাভ করে।
তাজুল ইসলাম বলেন, স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর জাতির পিতা যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনে সর্বশক্তি নিয়োগ করেন। ভারতীয় মিত্রবাহিনীর সদস্যদের দ্রুত দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং বন্ধু দেশসমূহ দ্রুত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে। বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে ওআইসির সদস্য হয়। বঙ্গবন্ধুর ঐন্দ্রজালিক নেতৃত্বে অতি অল্পদিনের মধ্যেই বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থান তৈরি হয়।
তাজুল ইসলাম বলেন, অনেক সংগ্রাম আর ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে আমরা দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছি। আমাদের সরকার জনগণের জীবনমানের ইতিবাচক পরিবর্তনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছি। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের সুযোগ বন্ধ করে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়েছি।
তাজুল ইসলাম বলেন, আসুন, মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলি। জাতির পিতার স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠা করি। যেখানে ধনী-দরিদ্র ভেদাভেদ থাকবে না। সকলের জন্য সম্ভাবনার দুয়ার থাকবে অবারিত।
কোনো অপশক্তি যাতে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার এ ধারাকে ব্যাহত করতে না পারে, জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে এ হোক আমাদের অঙ্গীকার।

সংবাদটি আপনার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরোও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page