1. admin@protidinershomoy.com : admin :
  2. protidinershomoy@gmail.com : Showdip : Meherabul Islam সৌদিপ
  3. mamunshohag7300@gmail.com : মামুন সোহাগ : মামুন সোহাগ
  4. nasimriyad24@gmail.com : বার্তা সম্পাদক : বার্তা সম্পাদক
  5. protidinershomoy24@gmail.com : Abir Ahmed : Abir Ahmed
বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ০১:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী নগরী বড়বনগ্রাম চকপাড়ায় চলছে অবৈধ পুকুর ভরাট ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রবাসে ও দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার মোঃ জসীম উদ্দিন প্রধান পবিত্র ঈদ উল ফিতরে সাংসদ ইঞ্জিঃ এনামুল হক’র শুভেচ্ছা বাণী এমপি এনামুলের পক্ষে যুবলীগ নেতা সেজানের ঈদ উপহার বিতরণ হাটিকুমরুল ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এস এম রওশন সরকার দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অব্যক্ত কথোপকথন… আতিকা আফসানা নাগরপুরে গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ঠাকুরগাঁও বাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জেলা পরিষদ সদস্য তুষার নাগরপুরে কর্মহীনদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ সলঙ্গা থানা স্বেচ্ছসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম তালুকদারের দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা

মধুপুরে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ, অস্বস্তিতে ভোক্তা, বাজার মনিটরিংয়ের দাবী

আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
  • সময় : সোমবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২১
  • ৪৪ জন পড়েছেন

মৌসুমী রসালো ফল তরমুজ বর্তমানে টাঙ্গাইলের মধুপুরে কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্যাবসায়ীগন তাদের ইচ্ছেমতো দাম হাকিয়ে তরমুজ বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতা ও জনসাধারণ। নিম্ন আয়ের মানুষের এ বছরের তরমুজের স্বাদ নিতে খুবই হিমশিম খাচ্ছেন বলে জানা যায়। রমজান মাস এলেই প্রতিটা রোজাদারের পরিবারে ইফতার থাকে তরমুজ সহ হরেক রকমের মৌসুমী ফলের সমাহার। কিন্ত সেই তরমুজের দাম এবার আকাশ ছোয়া। তবে দাম বৃদ্ধির কারনে অনেক রোজাদার সহ নিম্ন আয়ের মানুষ আজও তরমুজের স্বাদ নিতে পারেননি। গত বছর মধুপুরের সর্বত্রই তরমুজের ছড়াছড়ি এবং পিচ হিসেবে বিক্রি হতে দেখা গেছে। কিন্তু এবার চিত্রটা ভিন্ন! চলতি মৌসুমে বাজারে পর্যাপ্ত তরমুজের দেখা গেলেও এ বছর তরমুজ কেজিতে বিক্রি হচ্ছে এবং তাও কেজিপ্রতি আবার ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। মধুপুর বাস্টান্ড সহ বিভিন্ন বাজার, হাট ঘুরে দেখা গেছে, কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করতে। অনেক ক্রেতা এসে বিক্রেতার সাথে দাম নিয়ে রীতিমতো বিবাদে জড়িয়ে পড়ছেন। আবার অনেক ক্রেতা যেহেতু কেজিতে বিক্রি হচ্ছে তাই কেটে ১ কেজি তরমুজ চাচ্ছেন দোকানির কাছে। এ নিয়েও চলছে বাক বিতন্ডতা। অটোচালক শফিক, হায়দার, মিন্টু সহ আরও অনেকেই বলেন, লকডাউন চলছে। ভয় নিয়ে সড়কে আসি, দিন শেষে যা আয় হচ্ছে কোনো রকমে পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে আছি। এই রোজগারে এ বছর তরমুজ খাওয়া সম্ভব হবে না। বাজারে আসা রোজাদারসহ নানা শ্রেনী পেশার মানুষের প্রশ্ন তরমুজ কেজিতে বিক্রি হওয়ার কারন কি? যে তরমুজ গত বছরও মানুষ পিচ হিসেবে কিনেছে, সেই তরমুজ এ বছর কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে কেজিতে যদি ১৫/২০ টাকা হতো তাহলে সাধ্যের মধ্যে থাকতো ; অথচ ৫০/৬০ টাকা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি হতে দেখা গেছে। ভোক্তাদের প্রশ্ন এই টাকা কি প্রকৃতপক্ষে ওই চাষি, যে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তরমুজ উৎপাদন করেছে তার পকেটে যাচ্ছে নাকি অন্য কারও পকেটে? কৃষকের তরমুজের ক্ষেত থেকে শুরু করে বাজারে বিক্রেতা পর্যন্ত যারা ভোক্তার পকেট খালি করে চলেছে তাদের খুজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা। বাজারের কয়েকজন খুচরা ব্যবসায়ী জানান, বড় ব্যবসায়ীরা তরমুজ পাইকারী বাজার হতে শ’ হিসেবে কিনে তা কেজিতে বিক্রি করছেন। আমরাও কেজিতে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি। বাজার মনিটরিং করলে কেজি কাহিনী উন্মোচন হবে বলে তারা মনে করছেন।

সংবাদটি আপনার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরোও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *