
নড়াইলে পাখির নিরাপদ প্রজনন ও অভয়ারণ্য গড়ে তুলতে শতাধিক স্থানে পাখির বাসা স্থাপন কার্যক্রম শুরু করেছে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠিত সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ঊষার আলো ফাউন্ডেশন। নড়াইল শহর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় গাছে মাটির বাসা স্থাপন করা হচ্ছে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমী চত্ত্বরের বটগাছে বাসা স্থাপনের মধ্যদিয়ে এ ব্যতিক্রমধর্মী এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান।
এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রিয়াজুল ইসলাম, ঊষার আলো ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. মিনহাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শাফায়াত হোসাইন, লোহাগড়া উপজেলা সভাপতি মো. মাহমুদুল হাসান, কার্যকরী সদস্য নাবিল রহমান, মো. আব্দুল্লাাহ, মনিরুল ইসলাম, খালিদ হোসাইন, মুজাহিদুল ইসলাম, হাসিবুর রহমান বাপ্পী, নিজাম উদ্দিন, মাহফুজ আহসান, তমাল, আহনাফ, ইমামুল শেখ প্রমুখ।
প্রথমদিনে জেলা শিল্পকলা একাডেমী চত্ত্বর, জেলা প্রশাসকের বাংলো, পুলিশ সুপারের বাংলো, চরেরঘাটসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় গাছে বাসা স্থাপন করা হয়। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন স্থানে বাসা স্থাপন করা হবে বলে আয়োজকরা জানান।
সংগঠনের সভাপতি মিনহাজুল ইসলাম জানান, এসএমসুলতান, বিজয় সরকারসহ অসংখ্য গুণীজনদের স্মৃতি বিজড়িত ঐতিহ্যবাহী চিত্রা নদীর তীরঘেঁষে গড়ে ওঠা নড়াইল শহরে এখন সচরাচর নজরে পড়েনা পাখিদের কলকাকলি। নগরায়ণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে সাথে বিলুপ্ত হতে শুরু করেছে নানা প্রজাতির পাখি। তাই পাখি সংরক্ষণ ও পাখির নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে আমরা এগিয়ে এসেছি। পাশাপাশি পাখি শিখারীদের কারণে আশঙ্কাজনকহারে পাখি কমে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রশানের আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘উশার আলো ফাউন্ডেশনের একদল উদ্যোমী যুবক পাখি সংরক্ষণ ও প্রজণন বৃদ্ধির জন্য প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এভাবে আমাদের তরুন সমাজসহ পাখি প্রেমীদের এগিয়ে আসতে হবে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা তাদের সার্বিক সহযোগিতা করবো।’ #