
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঠাকুরগাঁওয়ে সফরে এসে অনেকগুলো প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তারমধ্যে অন্যতম ছিল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন। আমরা আশা করছি- খুব শীঘ্রই ঠাকুরগাঁও জেলায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি একটি মেডিকেল কলেজও হবে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!বুধবার সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের সিভিল সার্জন সভাকক্ষে আয়োজিত জেলা স্বাস্থ্যসেবা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন এই কথা বলেন।
রমেশ চন্দ্র সেন বলেন, ঠাকুরগাঁও জেলায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় করার জন্য অনেক কাজ আমরা এগিয়ে নিয়ে গিয়েছি। আশা করছি সামনে সরকারের এক নেকের সভায় ঠাকুরগাঁও জেলায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে। খুব শীঘ্রই ঠাকুরগাঁওবাসী এই খুশির সংবাদটি পাবেন।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঠাকুরগাঁওয়ে ২৫০ শয্যার হাসপাতাল দিয়েছে। সেক্ষেত্রে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আরও ২৫০ শয্যার হাসপাতাল আমরা সামনে পেতে যাচ্ছি। ৫০০ শয্যার হাসপাতাল হলে এটিকেই ঠাকুরগাঁও জেলায় মেডিকেল কলেজ হিসেবে রূপান্তর করা হবে।
রমেশ সেন বলেন, আর থাকবে আমাদের বিমানবন্দর। যখন আমাদের জেলায় ইপিজেড নির্মাণ হয়ে যাবে; তখন এই জেলায় হাজার হাজার শিল্প-কলকারখানা নির্মাণ হবে এবং হাজার হাজার বিদেশিরা এখানে আসবে। সেই সাথে ব্যাপক সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তখন অটোমেটিক ভাবেই ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর চালু হয়ে যাবে।
করোনা ভাইরাসের টেস্টের পিসিআর ল্যাব প্রসঙ্গে সাংসদ রমেশ চন্দ্র সেন বলেন, আমরা এখন করোনা ভাইরাস টেস্ট করতে হলে দিনাজপুরের পিসিআর ল্যাবে পাঠাতে হয়। এই কষ্ট আর আমাদেরকে করতে হবে না। ঠাকুরগাঁও জেলায় পিসিআর ল্যাব স্থাপন করা হবে, এজন্য পিসিআর ল্যাব অর্ডার হয়ে গেছে। খুব অল্পসময়ের মধ্যে ঠাকুরগাঁওবাসী পিসিআর ল্যাব পেতে যাচ্ছে।
রমেশ চন্দ্র সেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে চিন্তাভাবনা নিয়ে দেশের উন্নয়নমূলক কাজগুলো করে যাচ্ছেন, সেই চিন্তাভাবনাকে আমাদের ধারণ করে চলতে হবে। ঠাকুরগাঁওয়ের ২৫০ শয্যার হাসপাতালের পরিবেশ ভালো রাখতে হবে। এই হাসপাতালসহ অন্যান্য সকল হাসপাতাল সমূহ যেন ভালোভাবে চলে সেদিকে আমাদের সবাইকে নজর রাখতে হবে।
আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, ঠাকুরগাঁওয়ের সিভিল সার্জন ডা: নুর নেওয়াজ আহমেদ, সাবেক সিভিল সার্জন ডা: আবু মোহাম্মদ খয়রুল কবির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মির্জা তারেক আহমেদ বেগ, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: মোহাম্মদ ফিরোজ জামান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার রায়, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ জুলফিকার আলী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক এবং জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম স্বপন, ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র আঞ্জুমান আরা বেগম, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মনসুর আলী প্রমুখ।