1. nasimmahmudeee@gmail.com : Nasim Mahmud : Nasim Mahmud
  2. nasimriyad24@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গলাচিপা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নাইম হোসেন বাপ্পিকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে দেখতে চায় তৃণমূল একুশে বইমেলায় মিলছে কাজী এনায়েত উল্লাহর ৯ বই মাহে রমজানে দেশবাসীকে বিএনপি নেতা জাকির হোসেনের শুভেচ্ছা ও সম্প্রীতির আহ্বান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে হোসাইন মোহাম্মদ মনিরের শ্রদ্ধা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে জাকির হোসেনের বার্তা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকল শহীদের প্রতি সাহাদাত হোসেন রনির শ্রদ্ধা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকল শহীদের প্রতি আব্দুল ওয়াহিদ চৌধুরী পারভেজ’র শ্রদ্ধা খাদিজাতুল কুবরাকে প্রেম নিবেদন প্রকৌশল খাতের সংকট নিরসন নয় বরং দীর্ঘমেয়াদী সংকট তৈরি করায় যেন মূল পরিকল্পনা চাঁদপুর-১ কচুয়া আসন ভোট যুদ্ধে ত্রিমুখী লড়াই: বিএনপি-জামায়াত-জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থীর

রাজশাহী কারা হাসপাতালে বন্দীদের রাখতে কোটি টাকার বাণিজ্য 

সংবাদ দাতার নাম
  • সময় : বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৩
  • ২৮০ জন পড়েছেন
65
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রাজশাহী কারাগারে দীর্ঘ দিন চলে আসা নানা অনিয়মের পর এবার জেলখানায় থাকা কয়েদিদের আরাম আয়েশে রাখার জন্য বছরে কোটি টাকা বাণিজ্যের তথ্য এসেছে গণমাধ্যমেকর্মীদের হাতে। সম্প্রতি এরকমই ঘুষ নেয়ার একটি গোপন ভিডিও ক্লিপ এবং ঘুষ নেয়া ব্যক্তির সাথে হওয়া একাধিক ফোন কল রেকর্ডও এসেছে তাদের হাতে।
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে বন্দীর পরিবারের কাছ থেকে নগরীর সিএনবি মোড়ে ১৪ হাজার টাকা গুনে নিচ্ছে আসাদ নামের এক কারারক্ষী। এর আগে ফোনে কথা হওয়া অডিও ক্লিপটিতে শোনা যাচ্ছে ২০ হাজার টাকা নিয়ে লক্ষীপুর মোড়ে আসতে বলছেন এক নারীকে। ঐ নারী জিগ্যেস করছেন কত টাকা আনতে হবে, এরপর তিনি বলছেন আমি বাসায় একা আছি, আমি একজন ছেলে মানুষকে দিয়ে টাকা পাঠাচ্ছি, এই ফোন সহ…! পরে এরকম আরও কয়েকটি অডিও ক্লিপ পাওয়া যায়, তাতেও টাকা লেনদেনদের বিষয়টি স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।
এ বিষয়ে কারারক্ষী আসাদ অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, আমাকে আমার অফিসার টাকা নিতে পাঠায়। আমি শুধুমাত্র বাহক হিসেবে টাকা এনে দেই। তিনি বলেন, যেসকল বন্দির কথা আপনারা বলছেন তাঁরা আমাকে টাকা দিয়েছে সত্য, তবে আমি তৎক্ষনাৎ সেই টাকা আমার অফিসার ফার্মাসিস্ট ওমর ফারুক স্যারকে দিয়েছি। তবে এই সকল টাকা আমি কি নিয়ে একা কাউকে মেডিক্যাল বা সুবিধা দিতে পারি, এটা তো আপনারা বুঝেন। অফিসারের হুকুমের বাহিরে যাওয়ার সুযোগ নাই। আমাকে অফিসার এখন ভয় দেখাচ্ছে কেনো আমি তাঁর কথা বলেছি।
জানতে চাইলে ফার্মাসিস্ট ওমর ফারুক বলেন, আমার কথা সে বলতে পারে না। তাকে দিয়েই আপনাদের ফোন দেওয়াচ্ছি বলে ফোন কেটে দেন। পরে একাধিকবার তাকে ফোন দিলে সে ফোন রিসিভ করেনি।
মুঠোফোনে রাজশাহীর জেলার নিজাম উদ্দিন’কে কল দিলে তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
জানতে চাইলে রাজশাহীর সিনিয়র জেল সুপারিন্টেন্ডেন্ট আব্দুল জলিল বলেন, এমন কোন বিষয় আমার জানা নাই, এমন ঘটবারও কথা নয় ; এরকম কোন ঘটনা সত্যি ঘটে থাকলে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ফার্মাসিস্ট ও মেডিকেল অফিসার জুবায়ের প্রতিটি মেডিক্যাল বন্দির কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নেন। মেডিকেলের বন্দি বানিজ্য বহু পুরনো। এর আগেও এদের বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বহুবার। তবে এবার একাধিক কল রেকর্ড ও ভিডিও গণমাধ্যমকর্মীদের হাতে আসে। তাতে বছরে প্রায় কোটি টাকার মেডিকেল বন্দি বানিজ্য হয়। এসব টাকার ভাগ যায় জেলার ও সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সকলের কাছেই।
অডিও ভিডিও সহ বিস্তরিত আসছে…!

সংবাদটি আপনার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরোও সংবাদ

Comments are closed.

বিশেষ সংখ্যা

You cannot copy content of this page