ক্যান্ট: পাবলিকে বর্ণীল বসন্ত বরণ ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত
সংবাদ দাতার নাম
সময় :
বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
৩৮৮
জন পড়েছেন
ক্যান্ট: পাবলিকে বর্ণীল বসন্ত বরণ ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত
শাহিনুর রহমান সোনা, রাজশাহী: "বসন্তের বাতাসে পিঠার ঘ্রাণ, ঐক্যের বন্ধনে মাতুক প্রাণ" স্লোগানে বর্ণীল আয়োজনে রাজশাহী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজে দিনব্যাপী বসন্ত বরণ ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার, ১ লা ফাল্গুন (১৪ ফেব্রুয়ারি) নগরীর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ মাঠে বেলা ২ টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এ বসন্ত বরণ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী ক্যান্টনমেন্ট স্কুল ও কলেজের আয়োজনে বসন্ত বরণ ও পিঠা উৎসব-১৪৩০ এ সাধ, মামির বাড়ী রসের হাঁড়ি, আমার শখ, নিমন্ত্রণ, রকমারি চৌদ্দ, বন্ধু কর্নার, নাবিলা'স কিচেন, তিমানজা'স ডেসার্ট, আলিয়াস বেকারি, ইটবিট.. এরকম নান্দনিক ও মজার মজার নামে ২৭ টি স্টল স্কুলের অভিভাবক, শিক্ষক আর ছাত্র-ছাত্রীদের...
2
শাহিনুর রহমান সোনা, রাজশাহী: “বসন্তের বাতাসে পিঠার ঘ্রাণ, ঐক্যের বন্ধনে মাতুক প্রাণ” স্লোগানে বর্ণীল আয়োজনে রাজশাহী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজে দিনব্যাপী বসন্ত বরণ ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার, ১ লা ফাল্গুন (১৪ ফেব্রুয়ারি) নগরীর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ মাঠে বেলা ২ টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এ বসন্ত বরণ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
রাজশাহী ক্যান্টনমেন্ট স্কুল ও কলেজের আয়োজনে বসন্ত বরণ ও পিঠা উৎসব-১৪৩০ এ সাধ, মামির বাড়ী রসের হাঁড়ি, আমার শখ, নিমন্ত্রণ, রকমারি চৌদ্দ, বন্ধু কর্নার, নাবিলা’স কিচেন, তিমানজা’স ডেসার্ট, আলিয়াস বেকারি, ইটবিট.. এরকম নান্দনিক ও মজার মজার নামে ২৭ টি স্টল স্কুলের অভিভাবক, শিক্ষক আর ছাত্র-ছাত্রীদের পদচারনায় মুখরিত ছিল। পিঠা মেলা প্রাঙ্গনে লাল-হলুদ-সাদা বিভিন্ন ফাগুনের রঙে সেঁজেছিল দর্শনার্থীরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের প্রধান পৃষ্ঠপোষক মেজর জেনারেল খন্দকার মো: শাহিদুল এমরান এনডিসি (এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল), বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী নাজমুন নাহার। সভাপতিত্ব করেন ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো: রেজাউল করিম।
সন্ধ্যায় ছিল শিক্ষার্থীদের মনকাড়া সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। সেখানে ছোট ছোট শিশুদের কন্ঠে “আহা আজি এ বসন্তে এত ফুল ফোটে, এত বাঁশি বাজে, এত পাখি গায়…!”, সমবেত কন্ঠে “নোঙ্গর ছাড়িয়া নায়ের দেরে দে মাঝি ভাই, বাদাম উড়াইয়া নায়ের দেরে…! “আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম”,
ওরে গৃহবাসী দ্বার খোল দ্বার খোল ; একক কন্ঠে ওকি গাড়িয়াল ভাই৷ কত রব আমি পন্থের দিকে চাইয়া রে…! নিজেদের স্কুলের বন্দনায় ছিল জারি গান ও নাটিকা। আবৃতিতে ছিল কবি সুফিয়া কামালের পল্লী স্মৃতি। ছিল নাচ ! এগুলোতে অংশগ্রহণ করে রোদেলা, রুপন্তী, সোহা, আনিকা, রোদসী, শাওন, যাতনা, প্রজ্ঞা, জয়িতা, উইশা সহ এক ঝাঁক প্রানোচ্ছল শিক্ষার্থী।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রভাষক মাহমুদুল হাসান ও প্রভাষক নাসরীন সুলতানা।