1. nasimmahmudeee@gmail.com : Nasim Mahmud : Nasim Mahmud
  2. nasimriyad24@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
প্রকৌশল খাতের সংকট নিরসন নয় বরং দীর্ঘমেয়াদী সংকট তৈরি করায় যেন মূল পরিকল্পনা চাঁদপুর-১ কচুয়া আসন ভোট যুদ্ধে ত্রিমুখী লড়াই: বিএনপি-জামায়াত-জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থীর স্মৃতিতে অম্লান মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস প্রার্থীতা ফিরে পেলেন জাতীয় পাটির প্রার্থী হাবিব খান ইসমাইল বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক হলেন মোহাম্মাদ আলী তোহা জন্মদিনে মানবিক উদ্যোগ: স্টাফদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার ছাত্র অধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ প্রচার সম্পাদক হলেন বালিয়াকান্দির মোঃ রবিউল ইসলাম ছাত্র অধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন নাইম হোসেন বাপ্পি বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হলেন নুর উদ্দিন তাপাদার তানিম ছাত্র অধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি হলেন সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থী গলাচিপার সন্তান আল মামুন

শিশু শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে আবারও আলোচনায় গোলাম মওলা

শাহিনুর রহমান সোনা, রাজশাহী
  • সময় : রবিবার, ৯ জুন, ২০২৪
  • ৩৪৭ জন পড়েছেন
32

এক শিশু শিক্ষার্থীকে বেদম পিটিয়ে আবারও আলোচনায় রাজশাহীর শহীদ মামুন মাহমুদ পুলিশ লাইনস স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম মওলা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!
পুলিশ লাইনস স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেনীর ঐ শিশু শিক্ষার্থীর নাম সারোয়ার হাসান সিফাত (১২)।  সে নগরীর কাশিয়াডাঙা কোট কলেজ এলাকার সাইদ হাসানের ছেলে।
আহত শিশু শিক্ষার্থী সিফাতের বাবা জানান, গত শনিবার স্কুল চলাকালীন সিফাতকে বেদম পেটান অধ্যক্ষ গোলাম মওলা। স্কুল থেকে বাসায় ফিরে বাসায় কাউকে বিষয়টি না জানিয়ে শুয়ে পড়ে সিফাত। বিকেলে প্রচন্ড জ্বরে কাঁপতে থাকলে তার বাবা-মা হাতে পায়ে বেতের বাড়ীর দাগ দেখতে পান। এরপর পোশাক খুলে সারা শরীরে মারের দাগ দেখতে পান তারা। এ অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ওষুধ-পথ্য লিখে ছেড়ে দেন চিকিৎসক। এরপর তার বাবা ও দাদা আরএমপি’র কাশিয়াডাঙা থানায় গেলে তারা ঘটনাস্থল রাজপাড়া থানায় অভিযোগ দেয়ার পরমর্শ দেন। রাজপাড়া থানায় গেলে তারাও রাত দুটো পর্যন্ত বসিয়ে রেখে অভিযোগ গ্রহন করেননি। পরেরদিন জেলা প্রশাসক কার্যলয়ে গেলে তারা বলেন, যেতেতু এটি পুলিশ পরিচালিত প্রতিষ্ঠান আপনারা পুলিশ কমিশনার বরাবর অভিযোগ করুন। এরপর আমরা পুলিশ কমিশনারকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
কথা বলার একপর্যায়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন সিফাতের বাবা, তিনি বলেন, মার খেতে খেতে একপর্যায়ে সিফাত স্যারের দুই পা জড়িয়ে ধরে, আমাকে আর মারবেন না স্যার, আমাকে মাফ করে দেন। আবারও পেটাতে থাকলে সিফাত সিট বেঞ্চের নীচে পড়ে যায়, তখন অধ্যক্ষ বলেন, দোষ স্বীকার কর, তাহলে আর মারবো না। আমার এ কথা বিশ্বাস না হলে পুলিশ লাইনস স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেনীর কক্ষে বসানো সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করলেই বোঝা যাবে।  এদিন সকাল ১০ টা থেকে ১১ টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে, সিফাতের দাদা আব্দুল হান্নান ফেসবুকে শিশুটির ছবি সহ পোষ্ট দিলে ফেসবুক জুড়ে নিন্দার  ঝড় ওঠে। এতে নানা সময়ে নানা অপকর্মের তথ্য বেরিয়ে আসে গোলাম মওলার বিরুদ্ধে।
এর আগে বেশ কয়েকবার নানা অপকর্ম নিয়ে সংবাদের শিরোনাম হন অধ্যক্ষ ড. গোলাম মওলা। এরমধ্যে গত জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে তার ফাঁশ হওয়া অডিও ক্লিপে তিনি বলেন ‘ বাদশা না জিতলে এ সরকারের পতন নিশ্চিত। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের এক কর্মকর্তাকে পুলিশ দিয়ে পিঠিয়ে হাত-পা বেঁধে নদীতে ভাসিয়ে দেয়া, হত্যার হুমকি সহ নানা অপকর্ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। অভিযোগ রয়েছে তার ডক্টরেট ডিগ্রি ভুয়া। এ কারনে ইত:পূর্বে ডক্টরেট ডিগ্রিধারী এক পুলিশ কমিশনার তাকে ডক্টরেট ডিগ্রি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, চাকুরী জীবনের প্রথমে তিনি রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) রেন্ট কালেক্টর ছিলেন। পরবর্তীতে রাজশাহীর দুর্গাপুর কলেজে কর্মরত ছিলেন। জামায়াত বিএনপি সরকারের আমলে তৎকালীন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র মিজানুর রহমান মিনু ও বিএনপি নেতা প্রয়াত সালাউদ্দিন বেবীর জোর সুপারিশে গোলাম মওলা’কে রাজশাহী পুলিশ লাইনস্ স্কুল এন্ড কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।  নিম্ন মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান গোলাম মওলা মানুষ গড়ার কারিগরের ট্যাগ লাগিয়ে অর্থাৎ শিক্ষক হয়েও তিনি শিক্ষার বিষয়ে মিথ্যের আশ্রয় নেন। তিনি নিজেকে পিএইচডি ডিগ্রিধারী বলে প্রচার করে নামের পূর্বে ডক্টরেট ডিগ্রির ড. ব্যবহার  করেন। অথচ যে আমেরিকা ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি থেকে তিনি ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন বলে দাবী করেন সেই বিশ্ববিদ্যালয় ইউজিসি কর্তৃক অনুমোদিত নয়। অপরদিকে নামের পূর্বে ডক্টরেট ডিগ্রি ব্যবহারের ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি প্রয়োজন। যা তিনি তোয়াক্কা করেন না। রাজশাহী মহানগরীর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের কাছে তিনি পাঁচতলার একটি আলিশান বাড়ীর মালিক। অথচ তিনি এবং তার চাকুরীজীবি স্ত্রী’র এযাবৎকালের পাওয়া বেতন দিয়ে এমন আলিশান বাড়ীর মালিক হওয়া কোনোক্রমেই সম্ভব নয়।
এত ঘটনার পরেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গোলাম মওলার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় সাধারণের মনে এখন একটাই প্রশ্ন তার খুঁটির জোর কোথায় ??
এসব বিষয়ে কথা বলতে অধ্যক্ষ গোলাম মওলার মুঠোফোনে একাধিক কল দিলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

সংবাদটি আপনার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরোও সংবাদ

Comments are closed.

বিশেষ সংখ্যা

You cannot copy content of this page