1. admin@protidinershomoy.com : admin :
  2. nasimriyad24@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  3. wp-configuser@config.com : James Rollner : James Rollner
বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে দ্বিতীয় দিনে কোটা আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা ঠাকুরগাঁওয়ে স্কুল সেনসিটাইজেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের বিক্ষোভ ও পথসভা ঠাকুরগাঁওয়ে আওয়ামী লীগের বৃক্ষ রোপণ ও বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন ঠাকুরগাঁওয়ে ৫শ বৃক্ষরোপন করছেন স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা এ্যাপোলো টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের এমপি খান আহমেদ শুভর জন্মদিনে জয় হোসেনের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ, খাদ্য বিতরণ, কোরআন তেলাওয়াত, দোয়া ও মিলাদ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতিবাজ সচিব মুকেশ চন্দ্র বিশ্বাস ! নিখোঁজ সোলায়মান আলীর সন্ধান চায় তার পরিবার চৌধুরী মুখলেসুর রহমানের মায়ের মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের শোক নিখোঁজ আব্দুল আওয়ালের সন্ধান চায় তার পরিবার !

ঠাকুরগাঁও ঘুষ ছাড়া কাজ হয়না পীরগঞ্জ রেজিস্ট্রি অফিসে

সংবাদ দাতার নাম
  • সময় : মঙ্গলবার, ৪ জুন, ২০২৪
  • ৩১ জন পড়েছেন

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঘুষ ছাড়া দলিল রেজিস্ট্রি হয়না ঠাকুরগাঁও পীরগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে। রেজিস্ট্রি ছাড়াও দলিলের নকল কপি তোলা এবং দানপত্র, বণ্টনপত্র, ঘোষণাপত্র, অংশনামা ও চুক্তিপত্রের মতো দলিল সম্পাদনেও সেবাগ্রহীতাদের দিতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের ঘুষ। এক কথায় ঘুষ ছাড়া কোনো কাজই হয় না সাব-রেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে।

জমির দলিল নিবন্ধনে সরকার নির্ধারিত ফির বাইরে দলিলে উল্লিখিত জমির দামের ওপর কার্যালয়-ভেদে প্রতি হাজারে সর্বনিম্ন ৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০ টাকা করেও নেওয়া হচ্ছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, সাফ কবলা দলিল, হেবা ও দানপত্রসহ যে কোনো দলিল রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে ঘুষ হিসেবে দলিলদাতা ও গ্রহীতাকে বাড়তি টাকা খরচ গুনতে হয়। দলিল কমিশন রেজিস্ট্রির জন্য সাব-রেজিস্ট্রার আদায় করেন লাখ লাখ টাকা। এ ছাড়াও রয়েছে কথিত সেরেস্তার নামে টাকা আদায় এবং পদে পদে হয়রানি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ। দিন দিন রেজিস্ট্রার অফিসের প্রতি মানুষের ক্ষোভ বেড়েই চলছে।

রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে যানা যায়,দীর্ঘ ৫ বছর ধরে নেই কমিশন খাতা,গত এক বছর থেকে নেই ফিঙ্গারপ্রিন্ট খাতা। দলিল লেখা বাবদ ৩ হাজার হতে পাঁচ হাজার দশ হাজার বিশ হাজার এক লক্ষ টাকা প্রয়োজন লাগে। এমনকি সাব রেজিস্ট্রি অফিসের পিওনো ঘুষ খেতে দ্বিধা করেনা। পুরাতন ও নতুন দলিল নকল উঠাতে দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।

ভুক্তভোগী মনসুর আলী ও আখতারুল ইসলাম বলেন, জমি বিক্রি করে দলিল রেজিস্ট্রি করতে তাদের সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হারে আয়কর ও ভ্যাটের পাশাপাশি আরও ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা অতিরিক্ত দিতে হয়। ঘুষের এ টাকা ছাড়া জমির দলির সম্পাদিত হয় না। টাকা না দিলে দলিল রেজিস্ট্রি করতে সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের লোকজন হয়রানি করে।

পীরগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার আবরান ইবনে রহমান সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার এই অফিসে কেই এমন করবে তার কোন সুযোগ নেই। আমি কারো কাছে একটি টাকা অতিরিক্ত কখনো নেইনি। যদি আমার নাম ভাঙিয়ে কোনো স্টাফ টাকা দাবি করে থাকে সেটি প্রমান পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি আপনার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরোও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশেষ সংখ্যা

You cannot copy content of this page

%d bloggers like this: