
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : মানবদেহের পৃষ্টিচাহিদা পূরণ ও জিংক ধানের চাষ সম্প্রসারণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রান্তিক ১শ কৃষককে প্রশিক্ষন প্রদান শেষে তাদের মাঝে বিনামূল্যে জিংক ও আয়রন সমৃদ্ধ ব্রি-ধান-১০০ জাতের বীজ বিতরণ করা হয়েছে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) ইএসডিওর আয়োজনে ও আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা ইনস্টিটিউট হারভেস্ট প্লাস প্রোগ্রামের রিঅ্যাক্টস- ইন প্রকল্পের আওতায় সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের গড়েয়া উচ্চ বিদ্যালয় অগ্রণী কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও বীজ বিতরণ করা হয়।
এসময় ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন, গড়েয়া ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, ইএসডিও রিএক্টস-ইন প্রজেক্টের পিএম মো. কামরুল ইসলাম ও অন্যান্য কর্মকর্তা সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া ব্যক্তিত্ব।
এসময় মানবদেহে জিংকের উপকারিতা, অভাবজনিত লক্ষণ ও জিংকের ঘাটতি মেটানোর উপায়সহ জিংক সমৃদ্ধ ধান ও গমের বিভিন্ন জাত, তাদের উৎপাদন প্রযুক্তি বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা আলোচনায় স্বতস্ফুর্ত ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং জিংক ধান ও গম কে মানুষের হাতের নাগালে পৌঁছাতে তাঁরা এর উৎপাদন ও এই বিষয়ে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাবেন মর্মে দৃঢ়তা প্রকাশ করেন।
প্রশিক্ষন প্রদান শেষে প্রান্তিক পর্যায়ের ১শ জন কৃষকের মাঝে ৪ কেজি করে মোট ৪০০ কেজি জিংক ও আয়রন সমৃদ্ধ জিংক ব্রি-ধান-১০০ জাতের ভিত্তি ধান বীজ বিতরণ করা হয়।
উল্লেখ্য, রিএক্টস-ইন প্রকল্পটি কানাডা সরকারের অর্থায়নে, ওয়ার্ল্ড ভিশন, হারভেস্টপ্লাস, নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনাল এবং ম্যাক গিল বিশ্ববিদ্যালয় কনসোর্টিয়াম এর মাধ্যমে অন্যান্য তিনটি দেশের মতো বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও জেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। এই প্রকল্পের হারভেস্টপ্লাসের কার্যক্রম গুলি ইএসডিও এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। হারভেস্টপ্লাস ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ বায়োফোর্টিফাইড খাদ্যশস্যেও বিকাশ ও প্রচার করে এবং বায়োফরটিফিকেশন প্রমাণ এবং প্রযুক্তিতে বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব প্রদান করে পুষ্টি এবং জনস্বার্থেও উন্নতি করে। হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশে জিংক ধান, জিংক গম এবং জিংক ও আয়রন মসুর এর সম্প্রসারণ এবং অভিযোজনে কাজ করছে। বর্তমানে বাংলাদেশে আমন মৌসুমে ব্রি ধান ৭২ ও বিনা ধান ২০ এবং বোরো মৌসুমে ব্রি ধান ৭৪, ৮৪, ১০০ ও ১০২ ধানের ব্যাপক চাষাবাদ হচ্ছে।