
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে সাজ সাজ রব।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!দেশটিতে দলটির কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে সাত বছর আগে। তাই নেতাকর্মীরা নতুন নেতৃত্ব চান। তাদের আশা, দলীয়প্রধান এবার যুক্তরাষ্ট্রে এসে আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি দেবেন। এ জন্য বিভিন্ন পদ পেতে মরিয়া অনেকে। তাদের শোডাউনে এখন মুখর নিউইয়র্কের বাঙালি পাড়া।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এসে ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি দিয়েছিলেন দলীয়প্রধান শেখ হাসিনা। এরই মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে সেই কমিটি।
গুঞ্জন উঠেছে, শেখ হাসিনা এবার ফের নতুন কমিটি দেবেন। আর এ খবরে সভাপতি, সেক্রেটারি পদে লড়াই বেশ জমে উঠেছে। সাধারণ সম্পাদক হিসাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সদস্য, সিলেট জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি, সিলেট জেলা আওয়ামীলীগ কার্যকরী কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সিলেট জেলা শাখার সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সিলেট এম, সি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখার সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সিলেট এম, সি ইন্টারমেডিয়েট কলেজের সাবেক সভাপতি এবং এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের স্পনসর ডাইরেক্টর এস, এম, গোলাম রব্বানী চৌধুরীর নাম শোনা যাচ্ছে বেশ জোরেশোরে।
জানা যায়, এস, এম, গোলাম রব্বানী চৌধুরী বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি শিক্ষিত এবং ক্লিন ইমেজের মানুষ, দুঃসময়ে বঙ্গবন্ধুর পরীক্ষিত সৈনিক। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা, বি এ (পলিটিকেল সাইন্স) এম, সি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, সিলেট।
জানা যায়, ১৯৮১ সালে সিলেটে অনুষ্ঠিত খুনি মুশতাকের জনসভা পন্ড করতে গিয়ে মাথায় গুরতর আঘাত প্রাপ্ত হয়েছিলেন তিনি। ১৯৮৮ সালে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর আক্রমনের প্রতিবাদ করেছিলেন। ৯৪-৯৫ সালে বিএনপির সন্ত্রাসী তান্ডবে যুবলীগের সভাপতি থাকাকালীন আমার প্লাজা মার্কেটে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এবং আমার গাড়ী ভাঙচুরের শিকার হয়। তিনি আওয়ামী লীগকে মনে প্রাণে ভালোবেসে অনেক ত্যাগ শিকার করেছেন।
এস, এম, গোলাম রব্বানী চৌধুরী বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করছি। অনেক মানুষ অনুরোধ করছে প্রার্থী হতে। আমি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে চাই। কে হবে সাধারণ সম্পাদক এ সিদ্ধান্ত দেবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। উনি চাইলে আমি সাধারণ সম্পাদক হব। উনি যাঁকে দায়িত্ব দিবেন দেবেন তাঁর পাশে থেকেই কাজ করব।’