
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা ও চাঁদাদাবীর মামলায় ছাত্রলীগ নেতাসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে গ্রেপ্তারকৃতদের ঠাকুরগাঁও জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয় বলে জানান ভূল্লী থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান।
এর আগে রবিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের কুমারপুর কলেজপাড়া গ্রামের প্রয়াত আইয়ুব আলী শেখের ছেলে জয়নাল আবেদীন বাদী হয়ে ২১ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত ৬০ জনকে আসামী করে ভূল্লী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন:- ঠাকুরগাঁও জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও শহরের আশ্রমপাড়া এলাকার শ্রীদেব কুমারের ছেলে শ্রী সৃজন গুহ ঠাকুরতা (২৬), শহরের শান্তিনগর এলাকার দুলাল মিয়ার ছেলে তানভিন আক্তার তুহিন (২৫), শহরের হাজীপাড়া এলাকার মোতালেব হোসেনের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান শিমুল (৩৫), একই এলাকার রফিক উদ্দীনের ছেলে মোঃ সোহাগ (৩৮), শহরের গোবিন্দনগর এলাকার আব্দুল লতিফের ছেলে মোঃ ফারলিন (২৬) ও সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের মাদ্রাসাপাড়া এলাকার প্রয়াত উমর আলীর ছেলে মোঃ আজিজ (৩৯)।
মামলার বরাতে ওসি একেএম আতিকুর রহমান আতিক বলেন, গত রবিবার দুপুর দেড়টার দিকে সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিনের কুমারপুর কলেজপাড়া গ্রামে গ্রেপ্তারকৃত ছয়জনসহ অজ্ঞাত আরও ৫০-৬০ জনের একদল লোক জয়নাল আবেদীনের এক একর জমি জোরপূর্বক দখল করতে যায়। এসময় তারা জোরপূর্বক ভাবে ওই জমিতে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করে। ওই সময় মামলার বাদী জমি দখল করতে বাঁধা দিলে তারা বাদীর কাছে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে।
চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তারা মামলার বাদী জয়নাল আবেদীনকে মারপিট করে এবং ভয়ভীতি দেখায়।
এসময় স্থানীয় লোকজন ঠাকুরগাঁও জেলা ছাত্রলীগ নেতা শ্রী সৃজন গুহ ঠাকুরতাসহ ছয়জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
ওসি একেএম আতিকুর রহমান আতিক বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁও জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। এরপর মামলাটি তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
এদিকে ঠাকুরগাঁও জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিমুন সরকার বলেন, আমাদের জেলা কমিটির সহ-সভাপতি শ্রী সৃজন গুহ ঠাকুরতা ভূল্লী থানায় গ্রেপ্তার হয়েছে শুনেছি। ছাত্রলীগ একটি সুশৃঙ্খল সংগঠন, এখানে কোন অপরাধীর ঠাঁই নেই। এছাড়াও কারও ব্যক্তিগত দায় সংগঠন বহন করবে না। আমরা সাংগঠনিক ভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।