
মীমাংসিত একটি বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের মহা পরিকল্পনার লক্ষ্যে যে ষড়যন্ত্র চলমান রয়েছে তার সমাধানের লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে গঠিত হয় তদন্ত কমিশন, যাদের মূল লক্ষ্য হিসেবে ঠিক করে দেওয়া হয় চলমান অস্থিরতা দূরীকরণ।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি যেই কমিশনকে গঠন করা হয়েছিল প্রকৌশল খাতের চলমান সংকট নিরসনে লক্ষ্যে উল্টো সেই কমিশন দেশকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে চলমান সংকটকে দীর্ঘমেয়াদি করার পরিকল্পনায় ব্যস্ত।
এই বিতর্কিত কমিশনের শিকড়কে উৎখাত করে প্রকৌশল খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়া আনায় এখন মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের হটকারীতা এবং অনিরপেক্ষতার কারণে।
দেশকে অস্থিতিশীল করা গনতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য এমন অনিরপেক্ষ পক্ষপাতিত্তমূলক সুপারিশ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
যা কোনভাবেই কাম্য নয়, দেশের প্রকৌশল খাতের সিংহভাগ কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা গৌরবের সাথে পরিচালনা করে যাচ্ছে অথচ এই কমিশন তাদের প্রতি নূন্যতম নিরপেক্ষতা পরিচয় না দিয়ে হটকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে শুধু এবং শুধুমাত্রই একটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির লক্ষ্যে দেশকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে আমরা এমনটাই মনে করছি।
কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের মহাপরিকল্পনা রুখে দিতে হবে, দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রকে রুখে দিতে আমাদের। ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যতদিন ষড়যন্ত্র অব্যাহত থাকবে ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীরা ততদিন বুক জিতিয়ে সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই চালিয়ে যাব।
ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের লড়াই সংগ্রামের গৌরবময় ইতিহাস আছে , সেগুলো ভুলে যাবেন না।
আমরা ভুলতে দিব না।
তাই সারাদেশে ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের কমসূচি থেকে কমিশনকে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে বলতে হবে দ্রুত সময়ের মধ্যে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে করা ষড়যন্ত্র সকল পরিকল্পনা এখনই মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন।
এবং সুপারিশ কমিশন হতে প্রস্তাবিত সকল বিষয় প্রত্যাহার করে নিন।
যদি এর ব্যত্যয় ঘটে , হয়তো আপনাদের ষড়যন্ত্র মূলক পরিকল্পনা থেকে যাবে, কিন্তু বাস্তবায়ন করার জন্য পেছনের চেয়ারটা আর থাকবে না।
রায়হান রাহেল
একজন সাবেক বগুড়া পলিটেকনিক শিক্ষার্থী।