1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহীতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ আরডিএ’র নকশা বাণিজ্যে জড়িতরা বহাল তবিয়তে  শেখ ফজলুল হক মনির জন্মদিন উপলক্ষে জেসমিন আক্তারের শ্রদ্ধাঞ্জলি বিজয়ের মাস উপলক্ষে ইউসুফ আলী পিন্টুর প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের পরবর্তী কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মেহরাজ ফাহমী বিজয়ের মাস উপলক্ষে জেসমিন আক্তারের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিচক্ষণতার সহিত সবগুলো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেছেন: হাসান ইকবাল মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে হাসান ইকবালের শুভেচ্ছা  মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে জেসমিন আক্তারের শুভেচ্ছা বেনাপোলে ভ্যানের ভিতর লুকিয়ে রাখা ৯৪ লাখ টাকার স্বর্ণ উদ্ধার করলো ৪৯ বিজিবি

ত্রান বিতরণ নিয়ে জামাই-শ্বাশুড়ির ঝগড়া শেষে নিজ অর্থায়নে চেয়ারম্যানের ত্রান বিতরণ

সংবাদ দাতার নাম
  • সময় : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২০
  • ৩৮১ জন পড়েছেন

সবুজ সরকারঃ ত্রাণ বিতরণকে কেন্দ করে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি পৌর মেয়র বেগম আশানূর বিশ্বাসের জামাতা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম সাজেদুলের সাথে ঝগড়া হয়েছে। পরে ত্রান বঞ্চিতদের নিয়ে এসে জামাতা চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সাজেদুল নিজ অর্থায়নে ৪ শত পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করেন। ঝগড়ার সময় চেয়ারম্যানের লোকজন দ্বারা পৌর কাউন্সিলর আলম প্রামাণিক লাঞ্চিত করেছেন এমন অভিযোগ করেন শ্বাশুড়ী পৌর মেয়র বেগম আশানুর বিশ্বাস।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে বেলকুচি পৌর সভা কার্যালয়ে শ্বশুরের সামনেই জামাতা-শ্বাশুড়ীর ঝগড়ার ঘটনা ঘটে। পরে কর্মহীন ত্রান বঞ্চিতদের ডেকে এনে উপজেলার আলহাজ সিদ্দিক উচ্চ বিদ্যালয় গেট সংলগ্ন থেকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সাজেদুলের নিজ অর্থয়নে ১০ কেজি করে ৪ শ পরিবারের মাঝে বিতরন করেন।

এই বিষয়ে পৌর কাউন্সিলর আলম প্রামানিক জানান, আমি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের সাক্ষর ছাড়া স্লিপ আসার কারণে আমি ত্রাণ দিতে নিষেধ করি। এরই কারণে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সাজেদুল ও তার ভাই সাজ্জাদূল হক রেজা সহ সন্ত্রাসী বাহিনী এসে আমাকে গালমন্দ এবং মারধর করেন।

এদিকে এই বিষয়ে পৌর মেয়র বেগম আশানূর বিশ্বাসের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমার কাছে পৌর প্যানেল মেয়র ইকবাল রানার মাধ্যমে উপজেলা চেয়ারম্যান ত্রাণের বিতরণের জন্য ১শ স্লিপ বরাদ্দ চায়। তাকে দেওয়ার মত ১শ স্লিপ না থাকায় তাকে ৩৫টি স্লিপ দেই। ত্রাণ বিতরণের সময় প্রায় ৩ শতাধিক মানুষ আসে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর ছারা সিল দেওয়া স্লিপ নিয়ে। আমি স্লিপগুলো হাতে নিয়ে দেখি শুধু সিল দেওয়া তাতে কোন সাক্ষর দেওয়া নেই। তাই তাদের ত্রাণ দেওয়া হয়নি। এই কারণে উপজেলা চেয়ারম্যান ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী এসে আমাদের অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে। আমার পৌর কাউন্সিলর আলমকে লাঞ্চিত করে। আমি বিষয়টি বেলকুচি ইউএনও এবং ডিসি মহাদয়কে অবহিত করেছি।

উপজেলা চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম সাজেদুল জানান, যদিও আমি উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছি তবে এই উপজেলার সবাই আমার আপনজন। সাধারণ মানুষের এই দূর্ভোগের সময় ত্রাণ সহায়তার পাওয়ার জন্য পৌর এলাকার মানুষ আমার কাছে আসেন। পরবর্তীতে আমি পৌর প্যানেল মেয়রের সাথে কথা বলে কিছু অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণের স্লিপ দেই। কিন্তু সেই বন্টনকৃত স্লিপের মানুষগুলো ত্রাণ সহায়তা নিতে গেলে মেয়র সাহেব কিছু সংখ্যক ব্যক্তিকে ত্রাণ দিয়ে বাকীগুলো ফেরত পাঠান। এই বিষয়টি আমি জানতে পেরে মেয়রকে জিজ্ঞেস করি কেন ঐ ব্যক্তি গুলোকে ত্রাণ দেওয়া হয়নি। এটা শোনার পর আমার শ্বাশুড়ি মেয়র আশানূর বিশ্বাস ও শ্বশুড় বর্তামানে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ বিশ্বাস আমার সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়। পরে আমি নিজ অর্থায়নে ত্রান বঞ্চিত ৪শ জন অসহায় কর্মহীন পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করি। পৌর কাউন্সিলরকে মারধরের বিষয় জানাতে চাইলে সে বলেন মারধরের মত এমন কিছু হয়নি শুধু কথা কাটা কাটি হয়েছে।

সংবাদটি আপনার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরোও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশেষ সংখ্যা