1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিল্পী সমিতির আগামী দুই বছ‌রের জন‌্য সভাপতি ও সম্পাদককে অভিনন্দন জানিয়েছেন হাসান ইকবাল বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন জার্মানি শাখার উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের ২১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত নড়াইলে অস্ত্র মামলায় ১জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড নড়াইলে হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসি ও অপরজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ইতালী আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু তাহেরের মায়ের মৃত্যুতে হাসান ইকবালের শোক ষড়যন্ত্র করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন গুলো কোনভাবেই বন্ধ করতে পারবে না: হাসান ইকবাল নাগরপুরে মাস্ক না পরায় ৯ মামলায় ৭ হাজার ৬শত টাকা জরিমানা নাগরপুরে ৪ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১ নাগরপুরে শিশু-কিশোরীদের মাঝে কম্বল বিতরণ নাগরপুরে একতা সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সংস্থার শীতবস্ত্র বিতরণ

করোনায় শঙ্কিত গোলনাবাসী, লাপাত্তা ইউপি চেয়ারম্যান কবীর

সংবাদ দাতার নাম
  • সময় : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২০
  • ৩৬৪ জন পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
করোনা (কোভিড-১৯) প্রকোপে আজ স্তম্ভিত হয়েছে সারা বিশ্ব। লকডাউন করে রাখা হয়েছে শুধু বাংলাদেশ নয় প্রায় পৃথিবীর সকল দেশ। এ লকডাউনের ফলে নীলফামারী জেলা লকডাউনে থাকায় জলঢাকা উপজেলার গোলনা ইউনিয়নে মানবেতর জীবন-যাপন করছে দিনমজুর, অসচ্ছল, ভ্যান, রিক্সা, সিএনজি চালক কর্মহীন ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা। এসংকটময় পরিস্থিতিতে ৪ নং গোলনা ইউনিয়ন পরিষদে দেখা মিলছেনা ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আলম কবীরের। করোনাভাইরাসের শুরু থেকেই তিনি ঢাকায় রয়েছে বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ইউপি চেয়ারম্যানের কারনে সরকারী বরাদ্দ পেতে বিলম্ব হচ্ছে। প্যানেল চেয়াম্যান হিসেবে তিনি যাকে দায়িত্ব দিয়েছেন তিনি তা ভালভাবে পালন করছে না বলে অভিযোগ করেন তারা।
এছাড়াও এলাকায় অনেকেই মানছে না লকডাউনের নিয়ম-কানুন ফলে আতঙ্কে রয়েছে গোলনার মানুষেরা। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে গোটা বিশ্ব যখন যুদ্ধ ঘোষনা করেছে তখন করোনার মহামারীতে শঙ্কিত লকডাউনে থাকা গোলনার জনসাধারন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জলঢাকা উপজেলার শুধু ৪নং গোলনা ইউনিয়নে বসবাস করে ১৭ থেকে ১৮ হাজার মানুষ। তাদের মধ্যে দরিদ্র মানুষ বসবাস করে প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার। এসব দরিদ্র মানুষের মাঝে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি কেউই। তবে ভিক্ষুকদের ত্রাণ দিলেও গোলনা ইউনিয়নের প্রত্যেক ওয়ার্ড থেকে ২০ জন দরিদ্র মানুষকে সাহায্য ও ১৫৫ জনকে দশ কেজি করে চাল দেয়া হয় যা জনসংখ্যার তুলনায় খুবই নগন্য।
গোলনা ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা উকিল চন্দ্র রায় বলেন, একজন চেয়ারম্যান ইউনিয়নের অভিভাবক। তিনি ঢাকায় থাকায় আমরা অভিভাবকশুন্য হয়ে গেছি। আমরা চাই তিনি অতিশীঘ্র এলাকায় এসে এই বৈশিক মহামারী মোকাবেলায় যুগোপযোগী প্রস্তুতি গ্রহন করুক।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে ৪ নং গোলনা ইউনিয়নের একজন ইউপি সদস্য বলেন, গোটা বিশ্ব যখন করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেছে আমরা তখন সিদ্বান্তহীনতায় ভুগছি। চেয়ারম্যান ঢাকায় থাকার কারনে সরকারী অনুদানগুলোও আমরা সঠিকভাবে বরাদ্দ পাচ্ছি না। মহামারী মোকাবেলায় আমরা হিমশিম খাচ্ছি। তিনি এলাকায় থাকলে আলোচনার মাধ্যমে এই বৈশিক মহামারী মোকাবেলায় বিভিন্ন কার্যকরী সিদ্বান্ত গ্রহন করতে সুবিধা হতো।
এব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আলম কবীর বলেন, ত্রাণ বিতরণের জন্য তালিকা তৈরির কাজ চলছে। আমি জরুরি অসুস্থতাজনিত কারনে ঢাকায় আসছি ফলে এলাকায় যেতে পারিনি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে শীঘ্রই এলাকায় যাব। ইউনিয়নের কার্যক্রম যথাযথভাবে চলছে বলেও জানান তিনি।

সংবাদটি আপনার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরোও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশেষ সংখ্যা