1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ১০:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে হারভেস্ট প্লাস ব্রি ধান জিং (১০০) কর্তন  আবদুল গাফফার চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন হাসান ইকবাল  গাঁজা খেতে নিষেধ করায় সাংবাদিককে পেটালো কিশোর গ্যাং আমরা চাইবো দেশে একটি দায়িত্বশীল বিরোধীদল থাকুক: হাসান ইকবাল ঠাকুরগাঁওয়ে মাটি খুঁড়তে গিয়ে ২৪ টি রাইফেল,৩ টি এলএমজি উদ্ধার ঠাকুরগাঁও বালিয়া ইউনিয়নে উন্মুক্ত বাজেট ও মতবিনিময় সভা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার  স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে হাসান ইকবালের বার্তা ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকসহ ২ ব্যবসায়ি গ্রেফতার বেনাপোল স্হলবন্দরে অনিদিষ্ট কালের জন্য পণ্য পরিবহন বন্ধ বাংলাদেশ দ্রুত শ্রীলংকায় পরিনত হতে যাচ্ছে মির্জা ফখরুল ইসলাম

সিরাজগঞ্জে কালের আবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে নিপুণ কারুকার্য খচিত বাবুই পাখির বাসা

সংবাদ দাতার নাম
  • সময় : শনিবার, ২ মে, ২০২০
  • ২৮৩ জন পড়েছেন

নাসিম আহমেদ রিয়াদঃ
কালের আবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সিরাজগঞ্জের তালের পাতায়/নারিকেলের পাতায় মোড়ানো নিপুণ কারুকার্য খচিত বাবুই পাখির বাসা। পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে বাবুই পাখির বাসা অনেকটা বিলীন হতে চলেছে। অথচ আজ থেকে প্রায় ১৪-১৫ বছর আগেও গ্রাম-গঞ্জের মাঠ-ঘাটের তাল গাছে দেখা যেত এদের বাসা।

বাবুই পাখির বাসা শুধু শৈল্পিক নিদর্শনই নয়, মানুষকে স্বাবলম্বী হতে উৎসাহিত করতো। কবি রজনী কান্ত সেনের ভাষায়, ‘বাবুই পাখিরে ডাকি বলিছে চড়াই,/ কুঁড়েঘরে থেকে করো শিল্পের বড়াই।/ আমি থাকি মহাসুখে অট্টালিকার ’পরে,/ তুমি কত কষ্ট পাও রোদ, বৃষ্টি-ঝড়ে।’

সরেজমিনে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রাম-গঞ্জে এখন আর আগের মতো চোখে পড়ে না বাবুই পাখি ও তার তৈরি দৃষ্টিনন্দন ছোট্ট বাসা তৈরির নৈসর্গিক দৃশ্য। বাবুই পাখির নিখুঁত বুননে এ বাসা টেনেও ছেঁড়া কষ্টকর। প্রতিটি তালগাছে ৫০ থেকে ৬০টি বাসা তৈরি করতে সময় লাগে ১০-১২ দিন। খড়, কুটা, তালপাতা, ঝাউ ও কাশবন ও লতা-পাতা দিয়ে বাবুই পাখি উঁচু তালগাছে বাসা বাঁধে।

সেই বাসা দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি অনেক মজবুত। প্রবল ঝড়েও তাদের বাসা ভেঙে পড়ে না। পুরুষ বাবুই পাখি বাসা তৈরির পর সঙ্গী খুঁজতে যায় অন্য বাসায়। সঙ্গী পছন্দ হলে স্ত্রী বাবুইকে সাথী বানানোর জন্য পুরুষ বাবুই নিজেকে আকর্ষণীয় করতে খাল, বিল ও ডোবার পানিতে গোসল করে গাছের ডালে ডালে নেচে বেড়ায়।

চমৎকার বাসা বুনে বাস করায় এ পাখির পরিচিতি বিশ্বজোড়া। বাবুই পাখির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো- রাতের বেলায় ঘর আলোকিত করতে জোনাকি পোকা ধরে নিয়ে বাসায় রাখে এবং সকাল হলে ছেড়ে দেয়। প্রজনন সময় ছাড়া অন্য সময় পুরুষ ও স্ত্রী বাবুই পাখির গায়ে পিঠে তামাটে কালো বর্ণের দাগ হয়। নিচের দিকে কোন দাগ থাকে না। ঠোঁট পুরো মোসাকার ও লেজ চৌকা। তবে প্রজনন ঋতুতে পুরুষ পাখির রং হয় গাঢ় বাদামি। অন্য সময় পুরুষ ও স্ত্রী বাবুই পাখির পিঠের পালকের মতই বাদামি হয়।

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার তিয়রহাটী গ্রামের চাকুরীজীবী লিটন সরদার বলেন, ‘ছোটবেলায় দেখতাম রাস্তার দু’পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা তালগাছগুলোর মধ্যে অনেক বাবুই পাখির বাসা ছিল। কিন্তু এখন বাবুই পাখির বাসা আর দেখা যায় না। বাবুই পাখির বাসাটি আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। আমাদের পুরো এলাকাজুড়ে মাত্র একটি তালগাছে তারা বাসা বেঁধেছে। তাদের কিচিরমিচির শব্দে সকালবেলা আমাদের ঘুম ভাঙে।’

সংবাদটি আপনার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরোও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশেষ সংখ্যা