1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নাগরপুরে ইউপি চেয়ারম্যান নৌকা ৬,বিদ্রোহী ২ ও স্বতন্ত্র ৩ হেফাজত মহাসচিব এর মৃত্যুতে শায়খুল হাদীস আল্লামা সিরাজুল ইসলাম পীর সাহেব নেত্রকোণার শোক নড়াইলে ১০ ইউপিতেই স্বতন্ত্রের জয়, নৌকা দুই ইতালিতে কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত অমান্য করে আওয়ামী লীগের সম্মেলন,বহিস্কার হবেন অনেকে ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লীতে ট্রাকের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত নাগরপুরে ইউপি নির্বাচনে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা, চাপাতি সহ আটক ১ লোহাগড়া নলদী ইউনিয়নে নৌকা প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা সলিমাবাদ ইউপিতে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নৌকার মাঝি অপু ইউপি নির্বাচনে মেম্বার প্রাাথী শাহিন হাওলাদারের ব্যাপক প্রচারনা নাগরপুরে নির্বাচনী সংহিতায় নিহত ১ গুলিবিদ্ধসহ আহত ৪

সিরাজগঞ্জে কালের আবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে নিপুণ কারুকার্য খচিত বাবুই পাখির বাসা

সংবাদ দাতার নাম
  • সময় : শনিবার, ২ মে, ২০২০
  • ২২৮ জন পড়েছেন

নাসিম আহমেদ রিয়াদঃ
কালের আবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সিরাজগঞ্জের তালের পাতায়/নারিকেলের পাতায় মোড়ানো নিপুণ কারুকার্য খচিত বাবুই পাখির বাসা। পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে বাবুই পাখির বাসা অনেকটা বিলীন হতে চলেছে। অথচ আজ থেকে প্রায় ১৪-১৫ বছর আগেও গ্রাম-গঞ্জের মাঠ-ঘাটের তাল গাছে দেখা যেত এদের বাসা।

বাবুই পাখির বাসা শুধু শৈল্পিক নিদর্শনই নয়, মানুষকে স্বাবলম্বী হতে উৎসাহিত করতো। কবি রজনী কান্ত সেনের ভাষায়, ‘বাবুই পাখিরে ডাকি বলিছে চড়াই,/ কুঁড়েঘরে থেকে করো শিল্পের বড়াই।/ আমি থাকি মহাসুখে অট্টালিকার ’পরে,/ তুমি কত কষ্ট পাও রোদ, বৃষ্টি-ঝড়ে।’

সরেজমিনে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রাম-গঞ্জে এখন আর আগের মতো চোখে পড়ে না বাবুই পাখি ও তার তৈরি দৃষ্টিনন্দন ছোট্ট বাসা তৈরির নৈসর্গিক দৃশ্য। বাবুই পাখির নিখুঁত বুননে এ বাসা টেনেও ছেঁড়া কষ্টকর। প্রতিটি তালগাছে ৫০ থেকে ৬০টি বাসা তৈরি করতে সময় লাগে ১০-১২ দিন। খড়, কুটা, তালপাতা, ঝাউ ও কাশবন ও লতা-পাতা দিয়ে বাবুই পাখি উঁচু তালগাছে বাসা বাঁধে।

সেই বাসা দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি অনেক মজবুত। প্রবল ঝড়েও তাদের বাসা ভেঙে পড়ে না। পুরুষ বাবুই পাখি বাসা তৈরির পর সঙ্গী খুঁজতে যায় অন্য বাসায়। সঙ্গী পছন্দ হলে স্ত্রী বাবুইকে সাথী বানানোর জন্য পুরুষ বাবুই নিজেকে আকর্ষণীয় করতে খাল, বিল ও ডোবার পানিতে গোসল করে গাছের ডালে ডালে নেচে বেড়ায়।

চমৎকার বাসা বুনে বাস করায় এ পাখির পরিচিতি বিশ্বজোড়া। বাবুই পাখির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো- রাতের বেলায় ঘর আলোকিত করতে জোনাকি পোকা ধরে নিয়ে বাসায় রাখে এবং সকাল হলে ছেড়ে দেয়। প্রজনন সময় ছাড়া অন্য সময় পুরুষ ও স্ত্রী বাবুই পাখির গায়ে পিঠে তামাটে কালো বর্ণের দাগ হয়। নিচের দিকে কোন দাগ থাকে না। ঠোঁট পুরো মোসাকার ও লেজ চৌকা। তবে প্রজনন ঋতুতে পুরুষ পাখির রং হয় গাঢ় বাদামি। অন্য সময় পুরুষ ও স্ত্রী বাবুই পাখির পিঠের পালকের মতই বাদামি হয়।

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার তিয়রহাটী গ্রামের চাকুরীজীবী লিটন সরদার বলেন, ‘ছোটবেলায় দেখতাম রাস্তার দু’পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা তালগাছগুলোর মধ্যে অনেক বাবুই পাখির বাসা ছিল। কিন্তু এখন বাবুই পাখির বাসা আর দেখা যায় না। বাবুই পাখির বাসাটি আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। আমাদের পুরো এলাকাজুড়ে মাত্র একটি তালগাছে তারা বাসা বেঁধেছে। তাদের কিচিরমিচির শব্দে সকালবেলা আমাদের ঘুম ভাঙে।’

সংবাদটি আপনার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরোও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশেষ সংখ্যা