1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন

রাজশাহীতে ছাত্রদল নেতা ডিকোর সেহরী পেয়ে ভারাক্রান্ত কন্ঠে রিক্সা চলাকের দুঃখ প্রকাশ

সংবাদ দাতার নাম
  • সময় : রবিবার, ৩ মে, ২০২০
  • ৪৭৯ জন পড়েছেন

সাফিয়ান স্বাধীন,  রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রাহমানের নির্দেশ মেনে রাজশাহী নগরীতে সেহরী বিতরণ করলেন ছাত্রদল নেতা ডিকো।

রাজশাহী নগরীতে জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফায়সাল সরকার ডিকোর পক্ষ হতে রোজাদার মুসল্লিদের মাঝে সেহরী বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (৩ মে) ছাত্রদল নেতা ডিকোর নির্দেশে রাতের প্রথম প্রহরে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সেহরী বিতরণ করা হয়।

সেহরী বিতরণে ও প্রস্তুতে মূল ভূমিকায় ছিলেন, রাজশাহী জেলা ছাত্রদলের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক শাহ নেওয়াজ রিজভী, মাহবুব জামান শনি ও আব্দুল্লাহিল কাফি।

শাহ-নেওয়াজ রিজভী বলেন, ডিকো ভাইয়ের নির্দেশে শতাধিক রোজাদার মুসল্লি ও ভাসমান মানুষের মাঝে সেহরী তৈরী করে বিতরণ করছি এবং দেশের করোনা পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত আমরা ডিকো ভাইয়ের নির্দেশে সময় উপযোগী খাদ্য নিয়ে ছিন্নমূল, অনাহারি ও মুসল্লিদের পাশে থাকব।

রিজভীর মন্তব্য শোনাকালে, পাশ হতে একজন রিক্সা চালকের দুঃখ,ভারাক্রান্ত কিছু কথা ভেসে আসছিল প্রতিবেদকের কানে।

তিনি শনির সহকর্মী কাফিকে বলছিলেন, মামা দেশ তো এখন লক-ডাউনে, যত কষ্ট ও জুলুমের শিকার আমরা রিক্সা চালক ও সকল দিন এনে খাওয়া গরীব মানুষ, রাস্তায় লোকজন কম, ভাড়া পায় না, যা পাই তাতে তো স্ত্রী-সন্তান নিয়ে দুবেলা ঠিক মতো বর্তমানে খেতেও পারি না।

রিক্সাচালক শরিফুলকে জিঙ্গেস করলে তিনি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে দুবেলা ঠিক মতো খাবার আমাদের কাছে আকাশ সমান, আমরা রিক্সা নিয়ে বের না হলে খেতে পারব না, অন্য দিকে বাধ্য হয়ে রিক্সা নিয়ে বের হলে পুলিশের লাঠি আমাদের উপরে যে, কেন বের হয়েছি, কিন্তু আমার একটি বাচ্চা ৫ বছরের সে তো আর করোনা, লক-ডাউন কি বোঝে না, ক্ষুধা পেলেই কান্না করে।

শরিফুল আরও বলেন, করোনা কালে আমার সংসার অর্থের সংকট দেখা দিয়েছে, আমরা দিন মজুর কোন সঞ্চয় নেই। সারা দিন চুপে চুপে রিক্সা চালিয়ে যা রোজগার করি তাতে রোজার আগে দুপুরে ভাত সবজি ও রাতে শুকনো মুড়ি, চানাচুর খেয়ে দিন কাটালাম। বর্তমানে রমজান মাসে খুব কষ্টে রোজা রাখছি বলে জানান তিনি। এরপরই শরিফুলের চোখে অশ্রুর দেখা মিলে।

তিনি জানান, আমাদের মতো মানুষদের কথা চিন্তা করে যে ভাই এই সেহরী বিতরণ করছে তার জন্য অন্তর হতে দোয়া রইলো।

এরপর নগরীর মার্কেট গুলোর নাইট গার্ড, রিক্সার গ্যারেজ এবং সেহরীর ব্যবস্থা না করার মতো মানুষের মাঝে এই সেহরী বিতরন করা হয়েছে।

সংবাদটি আপনার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরোও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশেষ সংখ্যা