1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
রবিবার, ২৯ মে ২০২২, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে হারভেস্ট প্লাস ব্রি ধান জিং (১০০) কর্তন  আবদুল গাফফার চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন হাসান ইকবাল  গাঁজা খেতে নিষেধ করায় সাংবাদিককে পেটালো কিশোর গ্যাং আমরা চাইবো দেশে একটি দায়িত্বশীল বিরোধীদল থাকুক: হাসান ইকবাল ঠাকুরগাঁওয়ে মাটি খুঁড়তে গিয়ে ২৪ টি রাইফেল,৩ টি এলএমজি উদ্ধার ঠাকুরগাঁও বালিয়া ইউনিয়নে উন্মুক্ত বাজেট ও মতবিনিময় সভা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার  স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে হাসান ইকবালের বার্তা ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকসহ ২ ব্যবসায়ি গ্রেফতার বেনাপোল স্হলবন্দরে অনিদিষ্ট কালের জন্য পণ্য পরিবহন বন্ধ বাংলাদেশ দ্রুত শ্রীলংকায় পরিনত হতে যাচ্ছে মির্জা ফখরুল ইসলাম

বাগমারায় হোম কোয়ারেন্টাইনে রোগী ও তার পরিবারের বেহাল দশা

সংবাদ দাতার নাম
  • সময় : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২০
  • ৪১ জন পড়েছেন

রুস্তম আলী শায়ের বাগমারা প্রতিনিধিঃ চিকিৎসা আর সংসারের অভাব অনটনে বাকরুদ্ধ বাবুল পরিবারের পাশে কেউ নেই। দেশ বিদেশে করোনার প্রভাবে ভারত ফেরত ব্রেন টিউমার রোগী কৃষক বাবুলর রহমানের (৪৭) জীবন দুরারোহ হয়ে পড়েছে। বাবলুর উপজেলার বাসুপাড়া ইউনিয়নের বালানগর গ্রামের মৃত রজব আলীর ছেলে। গত বছর স্থানীয় চিকিৎসকের চিকিৎসায় সুস্থ্য না হওয়ায় চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে জানতে পারে ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত বাবলুর। অভাবের সংসারে যখন কোন কিছুতেই রোগীর শশ্রুষা মিলছে না। এতে দেশে চিকিৎসা নিতে তার প্রচুর টাকা ব্যয় হয়। অবশেষে ডাক্তারদের পরামর্শে ভারতে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু নেই তার আর্থিক স্বচ্ছলতা। বাবলুর নিজের তেমন জমি-জমা নেই। পরের জমিতে চাষ আবাদ করে সংসার চলে তার। ভালো চিকিৎসার আসায় নিজ পৈতৃক সুত্রে পাওয়া ৭ কাঠা জমি বিক্রি করে স্থানীয়দের সহায়তায় গত ফেব্রুয়ারী মাসে ভারতে চিকিৎসার জন্য পাড়ি জমায়। সেখানে তার ব্রেন টিউমার অপারেশন শেষে দেশে নেয়ার পর পরই দেশ বিদেশে দেখা দেয় করোনাভাইরাসের আতংক। এই আতংকে বাবুলও অতিরিক্ত অসুস্থ্য নিথর অবস্থায় শয্যাশায়ী হয়ে পড়ে। তার দুই কন্যার মধ্যে বড় মেয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্রী সেফাতুন খাতুন জানান, তার পিতা দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থ্য থাকায় তাকে ভারতের খ্রিষ্টান মিশনারী হাসপাতালে অপারেশন করা হয়েছে। চিকিৎসার পর গত ৬ মার্চ অচেতন অবস্থায় তাকে দেশে আনা হলেও রয়েছেন শয্যাশায়ী। দেশে আসার পরপরই করোনাভাইরাসের কারণে পিতাকে নিয়ে বিপাকে রয়েছেন তারা। বেশ এক মাস পারে স্থানীয় এক গ্রাম্য চিকিৎসকের মাধ্যমে মুখের খাবার নল খুলে দেয়া হয়েছে। বর্তমানে মুখে খেতে পারলেও আর্থিক সংকট ও করোনার কারণে কোন ভালো চিকিৎসকের কাছে তাকে নিতে পারছেন না। তাদের অস্বছল পরিবারে মা-বাবা সহ ৪ সদস্যের পরিবার। তাদের একমাত্র উপার্জনকারী পিতা অসুস্থ থাকায় করোনার দুর্যোগকালে সংসারে নানা অভাব অনটানে তারা দুরবস্থায় রয়েছেন। এব্যাপার ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি জানেন না। তার ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আশ্বাস প্রদান করে তিনি বলেন, তাদের হাতে তেমন বরাদ্দ থাকে না। এ বিষয়ে তিনি যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

সংবাদটি আপনার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরোও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশেষ সংখ্যা