1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ১১:১২ অপরাহ্ন

বেলকুচিতে ডিলারের বিরুদ্ধে সুলভ মুল্যের চাউল বিক্রির অভিযোগ, প্রতিবাদকারীকে প্রহার

সংবাদ দাতার নাম
  • সময় : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২০
  • ২১৩ জন পড়েছেন

সবুজ সরকারঃ
সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে ডিলারের বিরুদ্ধে সুলভ মূল্যের চাউল বিক্রির অভিযোগ তুলেছেন সুবিধা ভোগী বাবুল আকন্দ। সে বেলকুচি সদর ইউনিয়নের বেলকুচি পূর্ব গ্রামের সোহরাব আলীর ছেলে।
বাবুল আকন্দ জানায়, গত তিন মাস ধরে আমার নামে ৩০ কেজি করে চাউল আসলেও সে চাউল আমি পাই না। গত সোমবার চলতি মাসের চাউল আমার পিতা সোহরাব আলী আনতে যায়। সেখানে গেলে আমার বাবাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে ডিলারের ছেলে হোসেন । ঘটনাস্থলে উপস্থিত আনোয়ার মোল্লা নামক এক ব্যাক্তি প্রতিবাদ করলে তাঁকে মারধর করে হোসেন ।

সংশ্লীষ্ট সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী সোহরাব আলী সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক। অনিয়মের বিষয়ে তিনি প্রতিবেদকের কাছে বলেন, আমাকে তিন মাস ধরে চাউল দেয় না ডিলার আব্দুর রশিদ বিক্রী করে খাচ্ছে। এ মাসের চাউলের জন্য আসলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে হোসেন । এ জন্য আমি দুঃখ পেয়েছি। আমি এর বিচার চাই।
সোহরাব আরো বলেন, আমি একজন আওয়ামীলীগ কর্মী। আমার চাউল যদি এভাবে রশিদ চুরি করে বিক্রি করে খায় তাহলে সাধারন মানুষে চাউল দেওয়ার সময় কি করতে পারে ঐ ডিলার সেটাই আমার প্রশ্ন !

এদিকে ডিলারে ছেলে হোসেনের প্রহারের শিকার হওয়া আনোয়ার মোল্লা বলেন, ঘটনাস্থলে চাউলের জন্য অনেক নারী এসেছিল। তাদের সামনে বাপের বয়সী একজন মানুষকে এভাবে নোংরা ভাষায় কথা বলে। আমি এর প্রতিবাদ করি। একপার্যায়ে ডিলার রশিদের ছেলে আমাকে ঘুষি দেয় এবং আরো প্রহার করতে এগিয়ে আসে। পরে আশেপাশের লোকজন ডিলারের ছেলেক থামায়।

উল্লেখ্য, ডিলার আব্দুর রশিদ ইতিপূর্বেও সুবিধাভোগীদের চাউল কম দিয়ে অবৈধভাবে মজুতকরণ করে। পরে গ্রামবাসীর অভিযোগে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ধরিয়ে দেয় এবং মজুতকৃত চাল গ্রামবাসীরা ভাগাভাগি করে নেয়।

ডিলার দূর্নীতির বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আব্দুল্লাহ শেখ নামের স্থানীয় এক আওয়ামীলীগ কর্মী বলেন, এই করোনা মহামারীতে এসব কর্মকাণ্ডে গরীব মানুষেরা বঞ্চিত হয়। এদের মতো মানুষের জন্য সরকারের দুর্নাম হয়। আমরা এর বিচার চাই।

অভিযোগের বিষয়ে ডিলার আব্দুর রশিদ উত্তেজিত হয়ে বলেন, যে আপনাদের কাছে আমার ও ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে তাকে আমার কাছে নিয়ে আসেন তার ব্রালাটার ফাটিয়ে দেব।

এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ফাহাদ ইবনে সালাম বলেন, আমি বিষয়টি অবহিত হয়েছি। ভুক্তভোগী যদি লিখিত আকারে আমার কাছে অভিযোগ দেয় তবে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া।

তবে বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিফাত-ই-জাহানের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি অজ্ঞাত কারণে প্রতিবেদকের ফোন রিসিভ করেননি।

সংবাদটি আপনার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরোও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশেষ সংখ্যা