1. admin@protidinershomoy.com : admin :
  2. nasimriyad24@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ চালু হয়েছে বিনা মূল্যে সিজার ও অপারেশন নাগরপুরে আওয়ামী লীগের কার্যকরী সভা ভাঙ্গায় ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী লিটন মাতুব্বরের গনসংযোগ শহীদ শেখ রাসেলের ৫৫তম জন্মদিনে বিনম্র শ্রদ্ধা : হাসান ইকবাল তারুণ্যের জয়গান’কে ধারণ করে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাকালীন কমিটি ঘোষণা  ইউসুফ ভূঁইয়া’র খালাতো ভাইয়ের মৃত্যুতে হাসান ইকবালের শোক প্রকাশ নাগরপুরে দশমী পূজার মধ্য দিয়ে শারদীয়া দুর্গোৎসবের সমাপ্ত নাগরপুরে এগার ইউনিয়নে ভোট ২৮ নভেম্বর নওগাঁয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ব্যাচেলর যুব সংঘের বস্ত্র ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ নাগরপুরে পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন এমপি টিটু

বেলকুচিতে যমুনা হাসপাতালে প্রসূতির মৃত্যু, রফাদফা করার অভিযোগ

সবুজ সরকার স্টাফ রিপোর্টার
  • সময় : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১৫৪ জন পড়েছেন

সবুজ সরকার বেলকুচি সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জ বেলকুচিতে যমুনা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রসূতি মায়ের মৃত্যু হলেও সুস্থ রয়েছেন নবাজাতক শিশু। ২০ সেপ্টেম্বর (রবিবার) দুপুরে সমেশপুর গ্রামে যমুনা হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটে।

এদিকে রোগী মৃত্যুর খবরে হাসপাতালে ভিড় জমায় রোগীর স্বজনরা। নিহত মমতা বেগম (৩২) বেলকুচি রাজাপুর ইউনিয়নের সমেশপুর গ্রামের আজিজুল রহমানের স্ত্রী।

এদিকে রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় টাকার বিনিময়ে রফাদফা করেন রোগীর স্বজন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

নিহতের স্বামী আজিজুল জানায়, প্রসব ব্যথা অনুভব করলে শনিবার সকালে আমার স্ত্রী মমতাকে যমুনা হাসপাতালে ভর্তি করি। পরে বিকালে ডাঃকমল কান্তি দাশ প্রসূতির সিজার অপারেশন করেন। মমতা বেগম একটি সন্তানের জন্ম দেয়। অপারেশনের পর রোগীকে বেডে স্থান্তান্তর করে দেয়। ১ দিন রোগীর অবস্থা ভালো ছিলো। রবিবার সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীকে পানি খাওয়াতে বলো পরে আমি মাম পানি এনে দেয়। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পানির সাথে স্যালাইন মিশেয়ে খাওনোর পরপরই রোগীর শ্বাস কষ্ট শুরু হয়। আমার স্ত্রী আগে কখনো শাসকষ্টের সমস্যা ছিলো না। কিছুক্ষণের মধ্যেই আমার স্ত্রীর অবস্থা খারাপ হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকরা এসে রোগীকে সারিয়ে তোলার চেষ্টা করেন। অবস্থা বেগতিক দেখে দ্রুত রোগীকে উন্নত চিকিৎসার পরার্মশ দেয়। উন্নত চিকিৎসা জন্য রওনা হলে রাস্তায় মারা যান।

এদিকে রোগী মৃত্যুর খবর পেয়ে রোগীর স্বজনরা হাসপাতালে ভিড় জমায়। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ও রোগী মৃত্যুর ঘটনা ধামাচাপা দিতে বৈঠকে বসেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরে স্বজনদের সাথে মৃত্যুর ঘটনা রফাদফা করেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে হসপিটাল পরিচালনা পর্ষদের সদস্য খোকনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মমতা নামের যে রোগী মারা গেছে তাতে আমাদের কোন হাত নেই। তার পূর্ব থেকে শ্বাসকষ্টের সমস্যা ছিল। সিজারের ২৪ ঘন্টা পর রোগীকে হালকা পানি জাতীয় খাবার দেওয়ার কথা বললে তার স্বামী ফ্রিজের পানি পান করায়। তার প্রেক্ষিতে তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। আমরা রোগী অবস্থার সংকটাপন্ন দেখে তার পরিবারকে উন্নত চিকিৎসা দেবার পরামর্শ দেই। পরে জানতে পারি সে মারা গেছে।

উল্লেখ্য প্রায় ৬ মাস পূর্বে অবস্থাপনা ও অপচিকিৎসার জন্য যমুনা হসপিটালকে জেলা সিভিল সার্জন অফিস কর্তৃক সিলগালা করা হয়। সিলগালা করার পরেও তাদের অপচিকিৎসার বলির পাঠা হলেন মমতা।

সংবাদটি আপনার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরোও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশেষ সংখ্যা