1. admin@protidinershomoy.com : admin :
  2. nasimriyad24@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  3. wp-configuser@config.com : James Rollner : James Rollner
সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতিবাজ সচিব মুকেশ চন্দ্র বিশ্বাস ! নিখোঁজ সোলায়মান আলীর সন্ধান চায় তার পরিবার চৌধুরী মুখলেসুর রহমানের মায়ের মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের শোক নিখোঁজ আব্দুল আওয়ালের সন্ধান চায় তার পরিবার ! বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ফরিদপুর জেলা কমিটি গঠন ভূল্লীতে গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা আইটি ট্রেনিং নিয়ে ঘরে বসেই ডলার ইনকাম করা সম্ভব, প্রতিমন্ত্রী পলক বীরমুক্তিযোদ্ধা শফিউর রহমান শফির মুক্তির দাবীতে রাজশাহীতে বিক্ষোভ নিউইয়র্কে সিলেট দক্ষিণ সুরমাবাসীর’র বার্ষিক বনভোজন ও মিলনমেলা টিউলিপ সিদ্দিক যুক্তরাজ্যের নগর বিষয়ক মন্ত্রী হওয়ায় রসায়নবিদ আলহাজ্ব ডক্টর মোঃ জাফর ইকবালের অভিনন্দন

বেনাপোল রোজাদার ঠকিয়ে তরমুজ কেজিতে বিক্রি -যা মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে

সংবাদ দাতার নাম
  • সময় : বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৯৪ জন পড়েছেন

মো:সেলিম রেজা তাজ,ব্যুরো চীফঃ- যশোরের বেনাপোলে মাহে রমজান ও তাপদাহকে কাজে লাগিয়ে তরমুজ ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণা করে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করছে। ৪০ থেকে ৪৫ টাকা দরে তারা প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি করছেন। ফলে একটি তরমুজ কিনতে গুণতে হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। যা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে।

অসাধু ব্যবসায়ীদের এমন আচরণের প্রতিবাদে বেনাপোলের সংবাদকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরেছেন। প্রতিটি ব্যবসায়ীকে সংবাদকর্মীরা বলেছেন তরমুজ কেজি দরে বিক্রি না করে পিস হিসাবে বিক্রি করুন। কিন্তু অসাধু ব্যবসায়ীরা কোন কথা না শুনে অসহায় মানুষদের সঙ্গে প্রতরণা চালিয়ে যাচ্ছে। এর আগে দেশের বিভিন্ন স্থানে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করায় বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করে প্রশাসন।

স্থানীয় সংবাদকর্মীরা ফেসবুক লাইভে অসাধু ব্যবসায়ীকে বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়। পাশাপাশি শার্শা উপজেলা সহকারী ভূমি রাসনা শারমিন মিখিকে এবিষটি জানিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বেনাপোল বাজারের ফুটপাতে অবস্থিত সকল তরমুজের দোকান ঘুরে এর সত্যতা পাওয়া যায়। ওই বাজারে ১০-১২টি তরমুজের দোকান রয়েছে।

বাজার থেকে তরমুজ ক্রেতা মো. জাহিদ হাসান বলেন, কেজি দরে একটা মাঝারি ধরণের তরমুজ ৩০০/৩৫০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। অথচ পিস অনুযায়ী এটা ৫০/৬০ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়। সিন্ডিকেট করে তরমুজরে বাজার এমন করা হচ্ছে বলেও তার অভিযোগ।

এদিকে তরমুজ ব্যবসায়ীরা জানায়, আমরা আরও কম দামে তরমুজ বিক্রি করছি। আমাদের যে দামে তরমুজ কেনা সেই দামও উঠছে না। যারা তরমুজ কিনতে আসছে তাদের সাথে আমাদের প্রতিনিয়ত কথা কাটাকাটি হচ্ছে।

শার্শা উপজেলা সহকারী ভূমি রাসনা শারমিন মিথি জানান, এ বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখে প্রয়োজনে বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।

সংবাদটি আপনার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরোও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশেষ সংখ্যা

%d bloggers like this: