1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
রবিবার, ২২ মে ২০২২, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে হারভেস্ট প্লাস ব্রি ধান জিং (১০০) কর্তন  আবদুল গাফফার চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন হাসান ইকবাল  গাঁজা খেতে নিষেধ করায় সাংবাদিককে পেটালো কিশোর গ্যাং আমরা চাইবো দেশে একটি দায়িত্বশীল বিরোধীদল থাকুক: হাসান ইকবাল ঠাকুরগাঁওয়ে মাটি খুঁড়তে গিয়ে ২৪ টি রাইফেল,৩ টি এলএমজি উদ্ধার ঠাকুরগাঁও বালিয়া ইউনিয়নে উন্মুক্ত বাজেট ও মতবিনিময় সভা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার  স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে হাসান ইকবালের বার্তা ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকসহ ২ ব্যবসায়ি গ্রেফতার বেনাপোল স্হলবন্দরে অনিদিষ্ট কালের জন্য পণ্য পরিবহন বন্ধ বাংলাদেশ দ্রুত শ্রীলংকায় পরিনত হতে যাচ্ছে মির্জা ফখরুল ইসলাম

ভূল্লীতে গরিবদের তৃপ্তি মেটাতে ‘ভাই সাহেব হোটেল’

সংবাদ দাতার নাম
  • সময় : শুক্রবার, ৪ মার্চ, ২০২২
  • ৫৩ জন পড়েছেন
সুজন ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ গরিবদের তৃপ্তি মেটাচ্ছে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ভূল্লী বাজারে ‘ভাই সাহেব হোটেল’। দুপুর হওয়া মাত্রই এখানে ভিড় বাড়তে শুরু করে। সবাই হাত ধুয়ে খাবার গ্রহণের জন্য বসে পড়েন। তাদের মাঝে খাবার পরিবেশন করেন হোটেল মালিক দারাজ উদ্দীন ভাই সাহেব (৫৫)। এখানে মাত্র পঁচিশ টাকায় মেলে দুপুরে খাবার।

উপজেলার ভূল্লী বাজারের ভাই সাহেব হোটেলের প্রতিদিনের দৃশ্য এটি। অল্প দামে ভালো মানের খাবার পাওয়া যায় বলে বিশেষ খ্যাতি রয়েছে এই হোটেলের। দুপুর হলেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার কর্মজীবী মানুষ ভিড় করেন এখানে। উদ্দেশ্য তৃপ্তি সহকারে দুপুরের খাবার খাওয়া।

খাওয়ার থালায় তরকারির মধ্যে থাকে বয়লার, মাছ, সালাদ, ভর্তা, ভাজি, ডাল ও ডিম । এর সঙ্গে এক প্লেট ভাত। দাম (বিল) মাত্র ১০ টাকা। সঙ্গে ডিম পেতে হলে গুণতে হবে মাত্র ১৫ টাকা। মাছ পেতে হলে গুণতে হবে মাত্র ২৫ টাকা।

মূলত নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য এই হোটেলটি। খোলা থাকে দুপুর ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত। এর মধ্যে শতাধিক শ্রমিক দুপুরের খাবার খান এই হোটেলে। ভূল্লী বাজারে কাজ করতে আসা গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষগুলো মূলত এখানে আসেন। বড় হোটেলে খেতে বেশি টাকা লাগে বলে তারা ভাই সাহেবের হোটলে খেতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

রান্নাবান্না করেন হোটেল মালিক দারাজ উদ্দীন ভাই সাহেব নিজেই। তিনি প্রায় ৫ বছর ধরে হোটেলটি চালিয়ে যাচ্ছেন। এখানে বেশ ঘরোয়া পরিবেশে শ্রমজীবী খেটে খাওয়া মানুষদের যত্ন সহকারে খাওয়ান তারা।

ভাই সাহেব হোটেলের মালিক দারাজ উদ্দীন বলেন, ‘গরীব মানুষের কথা চিন্তা করে এই ভাতের হোটেল খুলে বসি। দিনশেষে হোটেল থেকে আয় খুব বেশি একটা হয় না। দোকানের খরচ বাদ দিয়ে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকার মতো লাভ হয়।’ আর এতেই সন্তুষ্ট তিনি।

চার সদস্যের পরিবারে ওই আয় দিয়ে তাদের ভালোই চলে। এর মধ্যে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে তাদের। হোটেল ব্যবসা করে ছেলেকে একটি পোল্টি ফার্মের খাবারের দোকান করে দিয়েছেন তিনি। মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন।

তিনি জানান, ব্যবসার ক্ষেত্রে লাভ-লোকসান নিয়ে ভাবি না। লোকজনের তৃপ্তি মেটানো নিয়ে চিন্তা করি। এজন্য সবসময় কম দামে ভালো খাবার দেওয়ার চেষ্টা করি। এখানে যারা নিয়মিত গ্রাহক, তারা সবাই শ্রমজীবী। কাজের তাগিদে তারা ভূল্লী বাজারে আসেন। তাদের জন্য এই হোটেল। হোটেলটির অবস্থান ভূল্লী বাজরের নিউ হাজী মার্কেট সংলগ্ন। সকলেই ভালবেসে তাহাকে ভাই সাহেব ডাকেন। তাই তিনি হোটেলের নাম দিয়েছি ‘ভাই সাহেব হোটেল’।

সংবাদটি আপনার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরোও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশেষ সংখ্যা