1. admin@protidinershomoy.com : admin :
  2. nasimriyad24@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  3. wp-configuser@config.com : James Rollner : James Rollner
মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১০:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চালু হতে যাচ্ছে রাজশাহী-কলকাতা ট্রেন  আওয়ামী লীগ মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করে- আব্দুল ওয়াদুদ দারা রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সাংবাদিক মিলনের পিতার মৃত্যু বার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কবি শাহ্ কামাল আহমদকে আন্তর্জাতিক সাহিত্য অ্যাওয়ার্ড প্রদান করায় সাহিত্য আড্ডা ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে দশম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন  রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক পরিষদ’র আত্মপ্রকাশ সমবায়ভিত্তিক কৃষি বিপ্লব গড়ে তুলতে হবে: প্রতিমন্ত্রী ওয়াদুদ দারা ঈদুল আজহা ত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়: হাসান ইকবাল ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইউসুফ আলী পিন্টু 

নড়াইলে পথে পথে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে ভাঁট ফুল

জেলা প্রতিনিধি নড়াইল
  • সময় : বুধবার, ১৫ মার্চ, ২০২৩
  • ১৬৯ জন পড়েছেন
রাস্তার পাশে অযত্নে,অনাদরে ও অবহেলায় বেড়ে ওঠা গ্রামবাংলার অতি পরিচিত গুল্মজাতীয় বহুবর্ষজীবী বুনো উদ্ভিদ ভাঁট। নড়াইলের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার দু’পাশে, গ্রামের আঁকাবাঁকা মেঠো পথে,আনাচে-কানাচে অযত্নে অবহেলা প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠে এই ভাঁট ফুল গাছ। শুভ্র সাদা ভাঁট ফুল চোখ জুড়ায় যে কোন ফুল প্রেমীদের। গ্রাম বাংলার চিরচেনা এ ফুলটি হরহামেশা দেখা গেলেও সাদা ফুলের দিকে তাকালে অনেকের মন ভালো হয়ে যায়। পবিত্র একটা অনুভূতি জাগে।
অঞ্চলভেদে এই গাছের ফুলকে ভাইটা ফুল, ঘেটু ফুল, ভাত ফুল, বনজুঁই ফুল, ঘণ্টাকর্ণ বলা হলেও নড়াইলে ভাঁট ফুল বা ভাঁটি ফুল নামেই সমধিক পরিচিত। চৈত্র মাসে এই ফুল ফোঁটে বলে একে চৈতের ফুলও বলা হয়।
নড়াইলের বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের চাঁদপুর-বগুড়া বিলের মধ্য দিয়ে যাওয়া সড়ক,লোহাগড়া-মিঠাপুর প্রধান সড়কের দুই পাশে ও কালিয়া-নড়াইল প্রধান সড়কের দুই পাশে ভাঁট ফুলের সমারোহ দেখলে মনে হবে প্রকৃতি যেন অপরূপ সাজে সেজেছে। এছাড়া জেলার সর্বত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা আশ পাশের বাগানগুলোতে ভাঁট ফুলের সৌন্দর্য দেখে পথচারী বা দর্শনার্থীরা মুগ্ধ হবেন।
বসন্তের আগমনে পলাশ-শিমুলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রকৃতিকে সাজাতে ফোঁটে এই শুভ্র সাদা ভাঁট ফুল। বিশেষ করে পরিত্যক্ত মাঠ, বন, রাস্তা কিংবা জলাশয়ের পাশে মিষ্টি ঘ্রানের,অজস্র ভাঁট ফুল ফোঁটা অবস্থায় চোখে পড়ে। এক সঙ্গে অনেক ফুল ফুটে। এর বৈজ্ঞানিক নাম, “ক্লেরোডেনড্রাম ভিসকোসাম” ও ইংরেজি নাম “হিল গেন্টারি বোয়ার ফ্লাওয়ার”। ভাঁট ফুলের আদি নিবাস ভারতবর্ষ, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার অঞ্চলে।
তবে যতদিন যাচ্ছে ততই হারিয়ে যাচ্ছে এই প্রজাতির ফুল। এখন বেশ দুর্লভ। গ্রামে কমেছে, শহরে তেমন চোখে পড়ে না। কিন্তু ফুলপ্রেমীরা খুঁজলে নিরাশ হবেন না। এই ফাল্গুন-চৈত্রে চোখ খোলা রাখলে, মন থেকে খুঁজলে সন্ধান মিলবে ভাঁটের। নিজ উদ্যোগে বেঁচে থাকা ভাঁট গাছের প্রধান কান্ড সোজাভাবে দন্ডায়মান, সাধারণত ২ থেকে ৪ মিটার লম্বা হয়। পাতা ৪ থেকে ৭ ইঞ্চি লম্বা হয়। দেখতে কিছুটা পানপাতার আকৃতির ও খসখসে। ডালের শীর্ষে পুষ্পদণ্ডে ফুল ফোঁটে। পাপড়ির রং সাদা এবং এতে বেগুনি রঙের মিশ্রণ আছে। বসন্ত থেকে গ্রীষ্ম অবধি ফুল ফোঁটে। এই ফুলের রয়েছে মিষ্টি সৌরভ। রাতে বেশ সুঘ্রাণ ছড়ায় এই ফুল। ফুল ফোঁটার পর  মৌমাছিরা ভাঁট ফুলের মধু সংগ্রহ করে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক দীপক কুমার রায়  বলেন,‘ ভাঁটফুল বা ঘেটু গুল্মজাতীয় দেশী বুনো পুষ্পক উদ্ভিদ। এটি বুনো ফুল, গাঁয়ের মাঠে কিংবা রাস্তার ধারে অযত্নে ফুটে থাকে এই ফুল। ফুল গাছটি ভাঁট বলে পরিচিত হলেও স্থানভেদে এবং ভিন্ন ভিন্ন জনগোষ্ঠীতে এর ভিন্ন ভিন্ন নামও রয়েছে। অনেকে একে বনজুঁইও বলেন। এ গাছের ভেষজ গুণাগুণও রয়েছে।

সংবাদটি আপনার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরোও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশেষ সংখ্যা

%d bloggers like this: